মহেশখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কাজে অনিয়ম,দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে-

মহেশখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কাজে অনিয়ম,দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে-

সিদ্দিক আহমেদ আতিক নিজস্ব প্রতিবেদক,দর্পণ টিভিঃ-

মহেশখালীর কুতবজুমে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজুম ইউনিয়নের ঘটিভাংগা গ্রামে এ চলমান স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের বৃহত্তর চট্টগ্রাম গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩ এর আওতায় মহেশখালী উপজেলার কুতুবজুম ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ল্ড ঘটিভাংগা রাস্তার কাজে প্রচুর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে
স্থানীয় সুত্রে জানা যায় যে,
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী এই রাস্তার প্রস্থ ১৪ ফুট ( পূর্বের রাস্তাসহ),
এখন খনন কাজ করা হচ্ছে ১১ ফুট। চেয়ারম্যান বলছে, ড্রেনসহ ১৪ ফুট।
১২৯ মিটার ড্রেনের কথা উল্লেখ রয়েছে নথিতে।
তাহলে এই ড্রেন কোন কোন জায়গায় হবে ঐ জায়গায় ১৪ ফুট রাস্তা খনন করা হচ্ছে না কেন?
রাস্তার পাশের পরিবার গুলো ১১ ফুটের যে খনন হলো তার বাইরে সীমানা বেঁধে দিলে কি আবারো খনন কাজ করা হবে? তাদেরও তো কিছু কাজ থেকে যায়। আর যারা খনন কাজ করছে তাদের ভাষ্যমতে ১১ ফুটের বেশি নেওয়া হবেনা।
তাহলে ড্রেন বা ১৪ ফুট গেল কোথায়? স্থানীয় জনগণ ও এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন।
রাস্তার খনন কাজে নিয়জিত তাদের ভাষ্যমতে ড্রেন সহ মোট ১৪ ফুট এক সাথে করার কথা নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকলেও ১১ ফুট থেকে ১০ ফুটে খনন কাজ শেষ করে ইট বিছানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল টিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ার কোন উপর মহলে আতাত রেখে এই বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি করে শুধুই নামে মাত্র ইট,বালি দিয়ে ১৪ ফুটের রাস্তা ১০-১১ ফুটে
৬৮ লাখ টাকা প্রকল্পের কাজ এলাকার সহজ সরল জনগণের চোখে ধুলা দিয়ে গ্রামের আগামীর প্রজন্মের বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে বলে সচেতন মহলের দাবী। এই ব্যাপারে টিকাদার বেলালের সঙ্গে কথা বললে বেলাল প্রতিবেককে বলেন ১০-১১ ফুট করছি, ড্রেইন ছাড়া ১০ ফুটে ইট বসাচ্ছি কি হয়েছে সমস্যা কি? এতে কি অসুবিধে হইছে?

এরকম করব যা করতে পারেন করেন,পত্রিকা, টিভি, সব করেন গা।
এই বিষয়ে কুতুব জুম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে ইঞ্জিয়ার সাহেব যা বলে বুজাইছে তাছাড়া আমি বিস্তারিত কি আশুবিষয় জানিনি বিস্তারিত ইউএনও মহোদয় জানবেন।এ ব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা কর্মকর্তা জনাব জমিরুল ইসলাম সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই বিষয়ে নথি অনুযায়ী ইঞ্জিয়ারকে স্পষ্ট বলে বুজাই দেওয়া হয়েছে তাছাড়া ইঞ্জিনিয়ার এখন কোভিড-১৯ এর আওতায় তারপর আপনার যখন জানাইছেন আমি এটা বিহিত ব্যবস্থা নেব।অবশেষে ঘটিভাংগার জনগণের প্রানের দাবী, ইউএনও মহোদয় এর কাছে ও তথসংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একটাই দাবী ও চাওয়া সুষ্ঠু তদন্ত পুর্বক কাজ বন্ধ করে সঠিক নিয়মে কাজ করার দাবি এলাকাবাসীর। ঘটিভাংগার আগামী প্রজন্মের বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় ও অনিয়ম দুর্নীতি গ্রুপের যেন উপযুক্ত শাস্তি হয়।অন্যথায় ঘটিভাংগার সচেতন মহল, তরুণ ছাত্র সমাজ আন্দোলন করার হুশিয়ারি দেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536