নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদের অপসারন ও বরখাস্তের দাবী-

নলডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদের অপসারন ও বরখাস্তের দাবী-

মোঃ রাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টার,দর্পণ টিভিঃ-

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদের চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্তসহ গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার সময় নলডাঙ্গা পৌরসভা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রামক রোধে রাষ্ট্র ঘোষিত ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বিরোধীতা করাসহ ধর্মমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগে তার অপসারন, গ্রেফতার ও বরখাস্ত চেয়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুস শুকুর, সাধারন সম্পাদক মুসফিকুর রহমান মুকু, জেলা পরিষদ সদস্য রঈস উদ্দিন রুবেল, মহিলা সদস্য আঞ্জুয়ারা পারভিন রত্না, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম সরদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিন আক্তার, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম পিয়াস, সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খালিদ মাহমুদ, সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন নয়ন প্রমুখ।

এসময় অন্যণ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানববন্ধনে নলডাঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ সাহেব আলী, মাধনগর ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন দেওয়ান, পিপরুল ইউপি চেয়ারম্যান কলিমুদ্দিন, খাজুরা ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, মাধনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন মৃধা, পিপরুল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, বিপ্রবেলঘড়িয়া আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুস সবুর সেলিম, ব্রক্ষ্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল জব্বার মিনা, সাধারন সম্পাদক আশরাফুজ্জামান মিঠু, মাধনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান, উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নুকুল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন সোহাগ, পৌর যুবলীগ সভাপতি আজিজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কয়েক’শ নেতাকর্মী, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ১১৪ জন সভাপতি ও সম্পাদক এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদের অপসারন, গ্রেফতার ও চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্তের দাবী করেন।
এ অভিযোগ অ¦স্বীকার করে উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, তিনি ধর্ম মন্ত্রীকে নিয়ে কোন কটাক্ষ করেননি । তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অশিকার করেন তিনি।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536