সেনবাগে করোনা আক্রান্তদের সাথে মানবিক আচরণ করুন,প্রয়োজনে সাহায্যের হাত তুলুন,অমানবিক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়!

সেনবাগে করোনা আক্রান্তদের সাথে মানবিক আচরণ করুন,প্রয়োজনে সাহায্যের হাত তুলুন,অমানবিক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়!

এমডি ইলিয়াস সেনবাগ প্রতিনিধি,দর্পণ টিভিঃ-

সেনবাগে করোনা আক্রান্তদের সাথে মানবিক আচরণ করুন,প্রয়োজনে সাহায্যের হাত তুলুন,অমানবিক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়! মর্মে সেনবাগ থানার ডিএসবি অফিসার এএসআই/মাসুম শরীফ তার ব্যাক্তিগত ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দেন,যা দর্পণ টিভির নজরে আসে, তার পোস্টটি অত্যন্ত জনসচেতনতামূলক এবং যা সেনবাগ বাসীর কল্যাণে লেখা, তিনি প্রায় এরুপ জনসচেতনতা মূলক এবং ভালো ভালো পোস্ট করে থাকেন, বিদায় জনস্বার্থে তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

সেনবাগে করোনা আক্রান্তদের সাথে মানবিক আচরণ করুন, প্রয়োজনে সাহায্যের হাত তুলুন,অমানবিক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়!

সম্প্রতি তথ্য পাওয়া যায় যে, করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে প্রতিবেশীরাও খারাপ ব্যবহার করছেন। অথচ বিপদের এ দিনে প্রতিবেশীরাই সবচেয়ে কাছের স্বজন বলে এতদিন পরিচিত ছিল এ কথাটি। তবে করোনা সেই সহানুভূতির কথাটাও দিন দিন কেড়ে নিচ্ছে।
তবে সবার মনে রাখা উচিত, এ পরিস্থিতিতে কাল আপনিও পড়তে পারেন। তাই নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে যতটা সম্ভব এ সময় আক্রান্ত প্রতিবেশীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

এ বিষয়ে গুনিজনদের সাথে পরামর্শে আমি কয়েকটি মতামত তুলে ধরছিঃ-
১. আপনারা প্রথমেই যাচাই করে নিন তিনি সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা? অথবা তার সর্দি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো উপসর্গ আছে কিনা? প্রতিবেশীদের কারও এ রকম সমস্যা থাকলে তার পরিবারের সদস্যরাই হয়তো আক্রান্তকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চাইবেন। যদি কেউ আপনার সাহায্য চান, তাহলে তাকে সাহায্য করুন। প্রয়োজনে অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে দিন বা জরুরি(০১৭৩০৩২৪৮৬৪/০৩২১-৬১০৬৮/৩৩৩/৯৯৯নাম্বারগুলোতে ফোন করে রোগীর খবর জানান।

২. করোনা আক্রান্ত প্রতিবেশীর বাড়ির অন্য সদস্যদের ঘরেই থাকার অনুরোধ করুন। প্রয়োজনে (০১৭৯৬ ৬৫৬২৭৫) স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিন।
৩. আক্রান্তের পরিবারকে বাইরে না যেতে অনুরোধ করুন। তাদের প্রতিদিনের খাবার বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে ফোনে তাদের নিয়মিত খোঁজ নিন এবং প্রয়োজনে খাবার বা ওষুধ কিনে তার দরাজার বাইরে রেখে আসুন।
৪. পাশাপাশি দরজা থাকলে দরজার হাতল বা নবে হাত দিলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন। নিজের বাড়ির দরজা নিয়ম করে জীবাণুমুক্ত করা উচিত। নব বা হাতল সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৫. একই অ্যাপার্টমেন্টে থাকলে নিয়মিত সিঁড়ি, লিফট জীবাণুমুক্ত করা উচিত।
৬. প্রতিবেশীর বাড়ির অন্যদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা নিয়মিত ফোনে খবর রাখুন।
৭. মুখোমুখি বা পাশাপাশি জানালা থাকলে তা বন্ধ করে রাখাই ভালো।
৮. বাড়িতে থাকলে খাবার আগে তো বটেই, মুখে চোখে হাত দেয়ার আগেও হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেয়া আবশ্যক।
৯. রোগী বা তার পরিবার যেন এক ঘরে না থাকে সে ব্যাপারে খোঁজ রাখুন।
১০. আক্রান্ত পরিবার এমনিতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এ কারণে তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করবেন না। নিজেদের নিরাপত্তা বজায় রেখে যথাসম্ভব তাদেরকে সহযোগিতা সাহায্য করুন।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536