সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চার শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চার শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

এমডি ইলিয়াস সেনবাগ,প্রতিনিধি দর্পণ টিভিঃ-

খোরশেদ আলম; সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের ৪০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার-সামগ্রী বিতরণ করেছেন “সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন”। আজ উক্ত ইউনিয়নের ৯-টি ওয়ার্ডে ও ছিলোনিয়া বাজারের ভ্রাম্যমাণ বস্তিতে এই ঈদ উপহার-সামগ্রী বিতরণ করেন উক্ত সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা।

সকাল ৯ টায় স্থানীয় ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কঠোর স্বাস্থ্য-বিধি মেনে নিরাপদ দৈহিক দূরত্ব বজায় রেখে উক্ত ঈদ উপহার-সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের যৌথভাবে শুভ উদ্ভোধন করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব বিএসসি ও ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছিলোনিয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন-অর রশিদ এবং ফাউন্ডেশনের চার সমন্বয়ক: মোস্তফা কামাল, জাবের আহমেদ, আবু নাঈম ও এমরান হোসাইন বাপ্পি ছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ড-ভিত্তিক প্রতিনিধিরা।

সকাল ১০ ঘটিকায় দক্ষিণ মানিকপুর ওয়ার্ডের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ হারুন সাহেবের বাড়ির সামনে এবং সকাল ১১ টায় উত্তর ও দক্ষিণ গোরকাটা ওয়ার্ডের জন্য বটতলা বাজারে উক্ত ঈদ উপহার- সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এরপর অবশিষ্ট ৫ ওয়ার্ডের জন্য প্রতিনিধিদের কাছে নিজ-নিজ ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য উপহার সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।

সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় লজিস্টিকস কোম্পানি টপস্টার গ্রূপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হারুন জানান:
আমি সবসময়ই চেষ্টা করি, দেশের যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে সাধ্যমতো সামর্থ নিয়ে আমার এলাকার মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে অত্র এলাকার যাবতীয় সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে আমি সবসময়ই উৎসাহ প্রদানের জন্য তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। গত বছর থেকে আমার প্রতিষ্ঠিত ‘সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন এর ব্যানারেও আমি এলাকাবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, যতদিন সম্ভব আমি সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন এবং স্থানীয় অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের সাথে একসাথে থেকে সাধারণ মানুষের কল্যানে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাবো।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536