মধুপুর অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে ২৬৫ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

মধুপুর অফিসার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে ২৬৫ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

মোঃ আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,দর্পণ টিভিঃ-

টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় ২৬৫টি পরিবারের মাঝে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন মধুপুর অফিসার্স ক্লাব। বুধবার থেকে এ বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে শুক্রবার শেষ হয়। পর্যায়ক্রমে অফিসার্স ক্লাবের এ ধরণের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।
উপহার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি উদ্ধোধন করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা জহুরা, সার্বক্ষণিক সহযোগীতা করেন অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আল রানা। তাকে সহযোগিতা করেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উপহার সামগ্রীতে রয়েছে ৮ ধরণের সামগ্রী, যার মধ্যে রয়েছে চাল ৫ কেজি, পোলাও চাল-১ কেজি, আলু-২ কেজি, ,তৈল ১ লিটার, সেমাই- ১ প্যাকেট, চিনি ১ কেজি, পিয়াজ-১ কেজি, সাবান ১টা।
এদিকে এই দুস্থ পরিবার গুলো ঈদের দিনে কি রান্না করবে সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল। এমন সময় মধুপুর অফিসার্স ক্লাবের উপহার সামগ্রী পেয়ে তাদের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536