লকডাউনে থাকা জৈনিক ব্যক্তির ধান কেটে দিলেন মহেশপুরে ইউএনও সুজন সরকার।

লকডাউনে থাকা জৈনিক ব্যক্তির ধান কেটে দিলেন মহেশপুরে ইউএনও সুজন সরকার।

রবিউল ইসলাম মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি,দর্পণ টিভিঃ-

মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়নের কুরিপোল নামক স্থানে জনৈক ভদ্রমহিলার এর করণা পজিটিভ পাওয়া যায়। ওই ভদ্রমহিলার কন্ট্রাক্ট অ্যানালিসিস করে দেখা যায়, তার বোন জামাই এর বাড়িতে তিনি অতিসম্প্রতি বেড়াতে গিয়েছিলেন। মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের শংকরহুদা নামক স্থানে বোনজামাই এর বাড়ি। সঙ্গত কারণে বোনজামাই এর বাড়ি লকডাউন করা হয়। লকডাউন কৃত বাড়িতে আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথারীতি চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দিই। কিন্তু তিনি আমাকে ফোন করে জানান, তার মাঠে ধান কাটা আছে । এই ধান বাড়িতে আনার জন্য তিনি মাঠে যেতে চান। নতুবা ধান নষ্ট হয়ে যাবে। আমরা তাকে তার প্রতিবেশীদের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। কিছু সময় পরে তিনি জানান, তিনি কোনো প্রতিবেশীর কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছেন না। তিনি খুব অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।

তখন ঐ ব্যক্তির মাঠের ধান বাড়িতে নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এগিয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সচিবের তত্ত্বাবধানে, গ্রামপুলিশদের সহযোগিতায় মাঠের ধান ওই ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছে দিই।

মাঠের ধান তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে গাড়িতে বসে একরাশ প্রশান্তি নিয়ে গানটি শুনছিলাম- ‘ভাবি, গঙ্গায় ঝাঁপ দিই, রেলের লাইনে মাথা রাখি; কে যেন হঠাৎ বলে, ….আমি তো আছি’

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536