নীলফামারীতে বস্ত্র বিতরণ করলো পরী বাবু-

নীলফামারীতে বস্ত্র বিতরণ করলো পরী বাবু-


মোঃ আব্দুর রউফ,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ-
নীলফামারী সদর উপাজেলাধীন পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড নটখানা বালাপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা শ্রী পরী বাবু রায়, এক ব্যতিক্রম ভাবে করোনায় কর্মহীন দুস্থ শিশু ও বয়স্ক লোকদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন।
পরীবাবু কৃষি ডিপ্লোমা পাশ করেও বেকার যুবক নিজের উদ্যোগে এলাকার বিত্তবান ব্যাক্তিদের বাড়ী বাড়ী ও গার্মেন্টস দোকান গিয়ে অব্যবহৃত পোশাক সংগ্রহ করে, লন্ড্রি থেকে ধুয়ে, ইস্ত্রি ও স্প্রে সহ প্যাকেটজাত করে এলাকার বিভিন্ন স্থানে নিজে গিয়ে বিতরণ করেন।
পরী বাবু নিজের ফেসবুকে স্টাস্টাস দেয় (আপনার পুরনো, অব্যবহৃত কাপড়গুলো ওয়ারড্রোব, বা আলমারীতেই নষ্ট হয়। যদি কেউ পুরাতন ও অব্যবহৃত নতুন কাপর অসহায় লোকদের দান করতে চান, তাহলে আমার নম্বরে যোগাযোগ করুন)।
এরই ধারাবাহিকতায় অনেক বিত্তবান ব্যাক্তির ও গার্মেন্টস দোকান মালিকদের সহযোগিতায় তিনি প্রায় ১৩০ জন পরিবারের মাঝে নিজে গিয়ে এসব লোকদের মাঝে বস্ত্র হাতে তুলে দেন।
পরিবাবু আরো বলেন,যারা লেখাটা পড়ছেন তাদের কাছে অনুরোধ, আপনাদের অব্যবহৃত পুরাতন কাপড়গুলো ফেলে না রেখে দান করে দিন। কাপড় ছেড়া হলে সেলাই করে দিতে পারেন। লন্ড্রি থেকে ধুয়ে, ইস্ত্রি করে যদি দেন তাহলে খুব সুবিধা হয়।
আপনার এই ফেলে রাখা কাপড়গুলো দিয়ে হয়ত কোন পরিবারে আসতে পারে স্বচ্ছলতা। আর হয়ত আমরা আমাদের প্রাচুর্য্য ভরা বিলাসবহুল জীবনযাপনে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো সুযোগ পাবো।#

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536