রাসিকের বিভিন্ন উদ্যোগে সুফল পাচ্ছেন মহানগরবাসীঃ মেয়র লিটন

রাসিকের বিভিন্ন উদ্যোগে সুফল পাচ্ছেন মহানগরবাসীঃ মেয়র লিটন

লিয়াকত হোসেন, রাজশাহীঃ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, করোনা মোকাবেলায় শুরু থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।

যার ফলে রাজশাহী মহানগরী আজও করোনামুক্ত। দীর্ঘদিন জমে থাকা ড্রেনের কঁাদামাটির স্তর ড্রেনর পানি প্রবাহ বঁাধাগ্রস্থ করছিল। বর্ষা মৌসুমে ড্রেনের পানি প্রবাহ অব্যাহত রাখতে নগরীর সকল ড্রেনসমূহের কঁাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যার সুফল ভোগ করবে মহানগরবাসী। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। মশক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযানসহ সচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট বিতরণ করা হবে। নগরীর উত্তরমুখী প্রধান নর্দমাসমূহ পুনঃখননে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
রোববার বিকেলে নগর ভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভায় এসব কথা বলেন মেয়র।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আরো বলেন, করোনা মোকাবেলায় ও মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। করোনা পরিস্থিতিতে ঝঁুকিপূর্ণকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের উৎসাহ বৃদ্ধিতে প্রত্যেককে এককালীন এক হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। যারা ভালো কাজ করছেন, যথা সময়ে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।
সভায় মহানগরীর দক্ষিণ হতে উত্তরমুখী প্রধান প্রধান নর্দমা ও কালভাটসমূহের চলমান পরিস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা, ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবুর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় কমিটির সদস্য ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কামরুজ্জামান, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ তৌহিদুল হক সুমন, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম মাহাবুবুল হক পাভেল, কমিটির সদস্য সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ নিজামুল হোদা, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং সহ আরও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536