কবিতা- নদী আমি

লেখিকা : বিউটি দাশ


নদী আমি বয়ে যাওয়াই আমার কাজ
আপন-আপন কলঙ্ক বয়ে চলতে ত্যাগ নিজ লাজ।

নদী সাগরে মিশে সমস্ত গ্লানি মুঁছে পবিত্র-একাকার হয় নাকি?
সেই করুনার্থে ক্লান্তিহীন নির্ঘুমে চলছি বয়ে দিন- রজনী।

প্রণমি চরণে প্রার্থনাসহকারে নয় জিজ্ঞাসিবারে পিপাসার তরে আপনারে?
কেন নদী রুপে জন্মাতে সামান্য জলে দিলে মানব এই মর্ত্যে।

কোন পর্যায়ে ফিরি তব সাগরে আপনার কাছে?
মর্ত্যের নর্দমা -মাতৃগর্ভের আলো বঞ্চিত শিশু -বেবিচারি মানুষের নোংরা অঙ্গে।

মিনতি প্রভু দেব সাগর রাজ কি অাজ তব উত্তরে?
নদীতে —অনেকেই স্নান করে কিন্তু নদী অপবিত্রতার বাইরে।

তবে আপনার উত্তরে তাই হয় নদী জলে!
ঢেউয়ের দোলায় দুকূল ব্যর্থ পরিপূর্ণ সবুজ ভূমি-শশ্য শ্যামল ফুলে ফলে?

বয়ে যেতে ক্লান্তি নাই আপনার নদীর,
বক্ষে আপন- আঘাত -অশ্রু-প্রেমের রক্ত পদ্ম- হৃৎপিন্ডের ধারার।

নদীর বহনের অক্ষমতার দায় কেন প্রভু পিতা মাতার?
মাতাপিতার নিরব অশ্রুজল অগ্নি ঋষি দুর্বাসার অভিমাপের চেয়েও ভয়ংকর।

নব প্রজন্মের তব আদেশে জন্মাতে পুঃননদী রুপে ভূবনে,
মাতৃ- পিতৃ-ভাতৃ-পুত্র-প্রেমের রক্ত ফোঁটা মুক্ত রাখ বক্ষ প্রভুরে।

নদীর হৃদপিণ্ডের রক্ত ধারা প্রবেশে
অাপনার শক্তি পুত্রের –পাঠিয়েছি আপনার কাছে।

হে সাগর মহারাজ আপনার বক্ষে নদী আপনার বক্ষে মিশে,
নত মস্তকে দন্ডায়মানে জিজ্ঞাসি কি উপায়ে প্রবেশি তবে বক্ষে।

দয়ার উর্দ্ধে করুনার ধারায় ভাঁসিয়ে দিও প্রভূ নদীর বক্ষে,
প্রেমের ধারা বইতে ভূবনে পরজন্মে তব অর্পনে।

কলংক ধারা বইতে ভুূবনে।

নিউজ: তুহিন হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536