প্রায় কোটি টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাংসদ ইসরাফিল’র

প্রায় কোটি টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাংসদ ইসরাফিল’র

অন্তর আহম্মেদ ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নওগাঁ,(রাণীনগর-আত্রাই) আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম পৌনে এক কোটি টাকার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। করোনা ভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থীতিতে তার “মানবিক খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র” থেকে গত এক মাসে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। সারাদেশে করোনা ভাইরাস রোধে সামাজিক জন দূরত্ব বজায় রাখতে সকল প্রকার গণপরিবহন,হাট/বাজার বন্ধ করে দেয় সরকার। ফলে পরিবহন শ্রমিক,রিক্সা/ভ্যান চালক,চা ও খাবারের দোকান মালিক কর্মহীন হয়ে পরে। এসব কর্মহীন,দুস্থ্য ও অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে নিজ সংসদীয় এলাকার একজন মানুষও যেন অভুক্ত না থাকে সে লক্ষে রাণীনগরে “মানবিক খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র”খোলেন এমপি ইসরাফিল আলম। স্থানীয় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী ও জন প্রতিনিধিদের সহায়তায় তালিকা তৈরি করে বাড়ী বাড়ী খাদ্য পৌছে দেয়া হয়।এছাড়া খুব সহজেই খাদ্য সহায়তা পেতে ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশা পাশি হটলাইন,অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম চালু করা হয়। গত ২৯ মার্চ থেকে এসব সেবা চালু করে রাণীনগর এবং আত্রাই উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার চারশত ।

পরিবারেচাল,ডাল,তৈল,লবন,কাঁচামরিচ,করলা,মিষ্টিকুমড়া,লাউ,বেগুন ও সাবান বিতরণ করেন।মানবিক খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের তথ্য মতে, গত এক মাসে প্রায় ৭৬ লক্ষ সাড়ে ২৬ হাজার টাকার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন এমপি ইসরাফিল আলম। পাশা পাশি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী,হাসপাতালের ডাক্তার,নার্স,সেচ্চা সেবক ও সাধারণ মানুষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পাঁচ হাজার পিস সাধারণ মাস্ক,এক হাজার পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার,ছয় হাজার পিস সার্জিক্যাল মাস্ক,দুই হাজার পিস সার্জিক্যাল হ্যান্ড গ্লাবস,দুই হাজার পিস সার্জিক্যাল হেড ক্যাপ ও চারশত পিস পি’পি’ই বিতরণ করা হয়েছে। দূর্যোগকালীন সময়ে কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পেতে সহায়তা হিসেবে সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে সবজি কিনে খাদ্য তালিকায় যোগ করেন এমপি ইসরাফিল আলম। সংক্রমন প্রতিরোধে দুই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাত ধোয়ার জন্য সাবানসহ বেসিন স্থাপন এবং সচেতনতা বাড়াতে সাংসদের কণ্ঠে রেকর্ডকৃত বক্তব্য গ্রামে গ্রামে মাইকের মাধ্যমে ব্যপক প্রচার করেন তিনি।সাংসদ ইসরাফিল আলম বলেন, গত এক মাসে রাণীনগর-আত্রাই উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার চারশত পরিবারে ৭৬ লক্ষ সাড়ে ২৬ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী দিয়েছি। বর্তমানে ধান কাটা-মাড়াই মৌসুম চলছে। এই সময়ে অধিকাংশ দরিদ্র ও শ্রমিকরা কাজকর্ম করে খাদ্য ঘার্তি নিবারণ করছেন। পাশা পাশি সরকারও খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন। তাই লক ডাউন চলাকালে“মানবিক খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র” থেকে বৃদ্ধ,একেবারে অসহায়,হত দরিদ্র এবং শারীরিক অক্ষম ব্যক্তিদের খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536