পাবনা-৪(ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে উপ-নির্বাচন তৃণমূল আওয়ামীলীগ’ র আলোচনায় মিজানুর রহমান স্বপন

পাবনা-৪(ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে উপ-নির্বাচন তৃণমূল আওয়ামীলীগ’ র আলোচনায় মিজানুর রহমান স্বপন

হাসান ইসলাম পাবনা : পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ভূমি মন্ত্রী এবং পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু’র মৃত্যুতে আসনটি এখন শূন্য। এখানকার সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা শুরু করে দিয়েছেন নির্বাচনী তোড়জোড়। সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা তাদের মতামত তুলে ধরে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। চলছে প্রচার প্রচারণা ও চুলচেরা বিশ্নেষণ। প্রার্থী হয়ে আওয়ামীলীগের এ আসনটিতে আবারও বিজয়ী করতে চান ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার তরুণ সমাজসেবক, তরুণ সমাজের প্রিয় মুখ, সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ঈশ্বরদী শাখার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান স্বপন । তিনি বর্তমানে বেশির ভাগ সময়ই সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করে পার করছেন। তার জনপ্রিয়তা মানুষের মুখে-মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে জনসংযোগ ও পথ সভা এবং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন রকমের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তরুণ কর্মী বান্ধব নেতা স্বপন নেতাকর্মীকে আরও সক্রিয় এবং নির্বাচনমুখী করার জন্য নেতাকর্মীদের সাথে একান্তভাবে আলাপচারিতায় মিলিত হচ্ছেন।এ আসনের সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতা কর্মীরা তাকিয়ে আছে কে পাচ্ছেন নৌকা প্রতীক। এ নিয়ে প্রতিটি চা দোকানে ও হাট বাজারে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে আলোচনার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগর সমর্থিতরা জানান, দল যাকে মনোয়ন দিবে তার জন্য কাজ করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবো। তবে আমরা আশা করবো যারা প্রথম থেকে দলের দূর্দিনে, বিপদে আপদে পাশে থাকবে এবং ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার জনগনের পাশে থেকে এলাকার জন্য কাজ করবে, এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। তাহলে পাবনা -৪ আসনটিতে আবারও বিজয়ী হওয়া সহজ হবে। পৌর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান জানান, মিজানুর রহমান স্বপন দুর্দিনে আমাদের পাশে থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) এ আসনের তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবী করছি। আমাদের প্রিয় নেতা মিজানুর রহমান স্বপন কে মনোনয়ন দেওয়া হলে বিজয় শতভাগ সুনিশ্চিত। আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাবনা-৪(ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে পরপর পাঁচবার আওয়ামীলীগ প্রার্থী শামসুর রহমান শরীফ বিজয়ী হয়েছেন। এটা আওয়ামীলীগের আসন। এ এলাকার মানুষ আওয়ামীলীগকে ভালবাসে। আমাদের বিশ্বাস মিজানুর রহমান স্বপন যেহেতু এলাকায় থেকে তূণমূল নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং তাদের বিপদের পাশে দাড়ান, তাকে মনোনয়ন দিলে দুই উপজেলা ভোটারা বিপুল ভোট নৌকা মার্কা প্রতীকে বিজয় লাভ করবে। দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামীলীগ নেতা মিজানুর রহমান স্বপন বলেন, আমি মানুষের সুখে দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আশাকরি আমাকে দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হয়ে জনগণের সমর্থন ও ভোটে জয়ী হবো। তিনি মনে করেন আমি নির্বাচিত হলে সততার সাথে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমাণে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যাবো এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরোপুরি বাস্তবায়নে সহযোগীতা ও তার হাতকে শক্তিশালী করতে পারবো।উল্লেখ্য. গত ২ এপ্রিল আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ ডিলু’র মৃত্যু আসনটি শূণ্য হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানা যায়, পাবনা-৪ আসনে মোট ভোটার সংখা ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩শ ২৬জন।

সংবাদ শেয়ার করুন

মোঃসামছু উদ্দিন লিটন, বিশেষ প্রতিনিধি নোয়াখালী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নে থেকে অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৭) দুই মাস পর ঢাকার সাভার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেন। মামলায় আসামি সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড ও ফয়সালের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়েছে আদালত।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অপহৃত ছাত্রীকে সাভারের পূরগাও এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে অপহৃত ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযানকালে বেগমগঞ্জ থানার এসআই মোস্তাক আহমেদ, ফিরোজ আলম, রুবেল মিয়া ও এএসআই নূর নবীর নেতৃত্বে শনিবার সন্ধ্যায় সাভারের পূরগাও এলাকার জৈনিক রুবির বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় ওই বাসায় অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে শনিবার বিকালে নোয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মোসলেহ উদ্দিন মিজান ১৬৪ ধারায় আসামি ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর আসামি ইমনকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় তিন দিন ও পর্ণোগ্রাফি মামলায় দুই দিনসহ মোট পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন জানান, পৃথক দুটি মামলায় সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করলে আদালত দুটি মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ রাতে মামলার আসামি ফয়সাল ও জোবায়ের ঘরে ডুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে। ঘরে থেকে যাওয়ার সময় তারা আলমেরি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও দুইটি আংটি নিয়ে যায়। গত ২০২০ সালের ৫মার্চ রাত আড়াইটার দিকে ইমন ও রাসেল ঘরে ডুকে নির্যাতিতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিন মাস পর রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকার মিরপুর-২, ৭নং রোডের ৩নং গলির জান্নাত নামে এক নারীর কাছ থেকে মেয়েকে নিয়ে আসেন তার মা। ওই তিন মাসে অপহৃতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে রাসেল। এরপর বিভিন্ন সময় ইমন বাড়িতে এসে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবশেষ গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে আবারও অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ফয়সাল ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

নোয়াখালী থেকে অপহরণের দুই মাস পর কিশোরী উদ্ধার

themesbazartvsite-01713478536