সাতকানিয়ায় মরনব্যাদি কীটনাশক বিষ ব্যবহার করে পুকুরের মাছ নিধন-

সাতকানিয়ায় মরনব্যাদি কীটনাশক বিষ ব্যবহার করে পুকুরের মাছ নিধন-

রিদুয়ানুল হক,স্টাফ রিপোর্টারঃ- সাতকানিয়া পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড রামপুর কালাচাঁদ পাড়ার একটি পুকুরে রাতের অন্ধকারে মরনব্যাদি কীটনাশক বিষ ব্যবহার করে পুকুরের ছোট বড় সকল প্রকারের মাছ নিধন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এই পুকুরটি এক পক্ষ বিগত চার বৎসর যাবৎ জোর পূর্বক ভাবে পুকুরে মৎস্যাদি চাষ করে আসতেছে। উপস্থিত মহল্লা লোকজন থেকে সাক্ষাতে আরো জানা যায় তাঁরা বিগত ছয় মাস পূর্বে পুকুরের সম্পুর্ণ মৎস্যাদি উত্তোলন করে হাট বাজারে বিক্রয় করেন। এর পর পুনরায় আরেক পক্ষ পুকুরে মাছ চাষ করার উদ্দেশ্য ১,০০,০০০ টাকার মাছ পুকুরে দেন। এতে দুই পক্ষে বিরোধ সৃষ্টি হলে অত্র এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বিগত ৩১/০৩/২০২০ইং তারিখে একটি জৈনক আব্দুল গফুরের উঠানে বৈঠক হয়। উক্ত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে মাছগুলো উত্তোলন করার ও পুনরায় সকল অংশীদার মিলে মৎস্য চাষ করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরের দিন মাছ উত্তোলন করতে গেলে সম্প্রতি মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সাতকানিয়া উপজেলার প্রশাসন তাহাতে বাধা দেন এবং সম্প্রতি মহামারীর পর পুকুর হইতে মাছ উত্তোলন করিবার জন্য বলেন। অন্যথায় আইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। যার কারণে অপর পক্ষের মাছগুলো উত্তোলন করতে পারেন নাই। কিন্তু বিগত ১৫/০৪/২০২০ইং তারিখে পুকুরটিতে কে বা কাহারা রাতের অন্ধকারে মরনব্যাধি কীটনাশক ব্যবহার করে পুকুরের ছোট বড় সকল মাছগুলো মেরে ফেলার ও পুকুরটি ব্যবহারের অউপযোগী করার উদ্দেশ্য এই কাজটি করছে বলে দাবী করেন স্থানীয় লোকজন। এই বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার এনামুল হক এনামের কাছ থেকে মুঠোফোনে জানতে চাইল তিনি দৈনিক আলোকিত সকালকে বলেন আমি খবর পেয়ে ওখানে গিয়েছিলাম তাতে দেখা যায় কে বা কাহারা মরনব্যাদি কীটনাশক বিষ ব্যবহার মাছগুলো মারা হয়েছে এবং পুকুরের পানি থেকে ভিষণ গন্ধ বাহির হচ্ছে যাহা বর্তমানে ব্যবহার করা যাবে না। তিনি আরো বলেন এই পুকুরটি নিয়ে অংশীদারগণের মধ্যে বিরোধ রয়েছে আমার জানা মতে এই ঘটনা কোননা কোন পক্ষ রটিয়েছেন। এই বিষয়ে অংশীদারদের পক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে গেলে এক পক্ষে মোহাম্মদ লোকমান বলেন দোষমনি হাসিল করার জন্য সম্প্রতি মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এলাকার মানুষ যখন ঘরবন্দী কে বা কাহারা নরপশুর মত এই ঘটনাটি ঘটলো এতে আমাদের প্রায় ১,৫০,০০০ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। তিনি আরো বলেন এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক ওয়ার্ড কমিশনারকে অবহিত করি এবং সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। অপর পক্ষের অংশীদার বেশ কয়েক জন কে মুঠোফোনে এই বিষয়ে জানতে চাইলে কারো সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন নুরুল আমিন,এম,রহিম,নুরুল আমিন, গোলাম মোস্তফা, মোঃ সাহেদ আলী, মোঃ নাজিম উদ্দীন সুজন সহ এলাকার বেশ কয়েক জন গন্য মান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবী এই অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা একান্ত ভাবে দরকার।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536