হ্মুধা না পারি চাইতে না পারি বলতে বাগাতিপাড়া উপজেলা মধ্যবিত্ত মানুষগুলো-

হ্মুধা না পারি চাইতে না পারি বলতে বাগাতিপাড়া উপজেলা মধ্যবিত্ত মানুষগুলো-

মোঃরাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টারঃ- ভয়াবহ করোনার মরণ থাবার ভয়ে চরম বিপাকে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা ২নং জামনগর ইউনিয়নে, সর্বমোট ৮ওয়ার্ডের
গারুড়ীয়া কর্মহীন ঘরবন্দী খেটে খাওয়া নিত্য আয়ের মানুষগুলো। এদের জমানো যে পুঁজি ছিল তাও এখন শেষ।

এদিকে পাশের উপজেলা পুঠিয়ায় ২ জন করোনা সনাক্ত হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
বগাতিপাড়া উপজেলার শেষ সিমানা হতে পুঠিয়া উপজেলার শেষ সিমানার দূরত্ব মাত্র ৪ কিঃমি, চারিদিকে হাহাকার।

এসব লোকজন না পারছে ঘর থেকে বের হয়ে কর্মে ফিরতে, না পারছে অন্যদের মতো ত্রাণের জন্য এদিক ওদিক ছুটতে।

আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে কাটছে এদের দিন।

ঘরবন্দি পরিস্থিতি যত দীর্ঘ হচ্ছে এদের অবস্থা ততোই খারাপ হচ্ছে।
হত দরিদ্রদের নিয়ে ভাবলেও কর্মহীন এসব নিত্য আয়ের মানুষগুলোকে নিয়ে কেউ ভাবছেন না বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

অপরদিকে বাগাতিপাড়া উপজেলা সব স্থানেই রয়েছে নিত্য আয়ের মানুষের বসবাস।

এদের মধ্যে স-মিলের শ্রমিক, রিক্সা-ভ্যান চালক, সিএনজি চালক,কেউ আবার গণপরিবহণের শ্রমিক,চা দোকানী এবং হোটেল-রেস্তোরায় কাজ করেন।

এদের অনেকেই এখন পর্যন্ত পায়নি কোনো ত্রান সহযোগিতা। করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে আয়ের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেক কষ্টে দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন বলে জানান তারা।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ও জনসমাগম এড়াতে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারী ছুটি চলছে।
করোনা বিস্তার রোধে প্রায় ২৫ দিন ঘরে থাকার কারণে বাগাতিপাড়া উপজেলার খেটে খাওয়া বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

করোনা মোকাবেলায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারী যে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচী তা এখন অনেকটা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়নে খেটে খাওয়া মানুষদের সাথে কাজ করে সংসার চালান উনারা কাজ না থাকায় আয়-রোজগার সব বন্ধ।

হাতে যা ছিল তা শেষ, ঘরে খাবার নাই এখন কিভাবে সংসার চালাবে তা নিয়ে খু্বই দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন তারা। সরকার থেকে বিভিন্ন যায়গায় অনেক খাদ্যসামগ্রী বিতারণ করা হলেও জামনগর ইউনিয়ন অসহায়রা সবাই পাইনি এ কথা বলে মনের অজান্তেই চোখের জল টলটল করতেছিল।

কথা হয় বিভিন্ন পরিবহণের ড্রাইভার, রাজমিস্ত্রী, ইলৈকট্রিশিয়ান,এদের সাথে তারা বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার আমাদের ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্ত ইনকাম না থাকলে আমরা খাবো কি ?

তাই মাঝে মধ্যে বের হই। কিন্ত যাত্রী কম আবার পুলিশের তাড়া তো আছেই।

শুনেছি এর আগে বাগাতিপাড়ায় বিভিন্ন জায়গায় চাল-ডাল দিয়েছে। কিন্ত আমরা তা পাইনি।

এ পরিস্থিতিতে কীভাবে সংসার চালাবে পরিবার পরিজন নিয়ে তা নিয়ে চিন্তিত এই মধ্যবিত্ত মানুষ গুলো।

মোঃরাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টার।
নাটোর।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536