নওগাঁয় ক্ষুধার্ত কুকুর-বিড়ালের পাশে শফিকুর রহমান মামুন মানু-

নওগাঁয় ক্ষুধার্ত কুকুর-বিড়ালের পাশে শফিকুর রহমান মামুন মানু-


অন্তর আহম্মেদ ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-
নওগাঁয় মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সংকটে মানুষের অস্তিত্ব। তবে এর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি কুকুর-বিড়ালের মতো অবলা প্রাণীগুলোও। বিশেষ করে অলিগলিতে থাকা বেওয়ারিশ এবং ছিন্নমূল এ প্রাণীগুলো ভুগছে খাদ্য সংকটে। এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো পদক্ষেপ দেখা না গেলেও ব্যক্তি উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসছেন শফিকুর রহমান মামুন(মানু)

সাধারণত বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে থাকা কুকুরগুলো পরিবেশ থেকে পাওয়া খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে। বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান, হোটেল ও বাসাবাড়িতে বেঁচে যাওয়া বা উচ্ছিষ্টই খাবার কুকুর-বিড়ালগুলোকে খাদ্য যোগায়।

তবে করোনা ভাইরাসের কারণে এক রকম লকডডাউন পরিস্থিতিতে বিপাকেই পড়েছে এসব প্রাণী। বিভিন্ন হোটেলসহ খাবারের দোকান বন্ধ থাকায় পরিবেশ থেকে খাবার পাচ্ছে না প্রাণীগুলো। অন্যদিকে বাসাবাড়ি থেকেও উচ্ছিষ্ট বা বেঁচে যাওয়া খাবার পাচ্ছে না কুকুরগুলো।

এমন পরিস্থিতিতে এসব প্রাণী যে খাদ্য সংকটে চরম দুঃসময় পার করছে তা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। নওগাঁর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এগুলোর প্রায় নিস্তেজ অবস্থা চোখে ধরা পড়ে। এক সময়ের চঞ্চল এ প্রাণীগুলো এখন ক্ষুধার্ত হয়ে সড়কে পড়ে আছে।

ক্ষুধার্ত কুকুর-বিড়াল এসব প্রাণীর সাহায্যার্থে এখনো কোনো সরকারি সংস্থা এগিয়ে না আসলেও নওগাঁয় ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসছেন। শফিকুর রহমান মামুন (মানু) কাজ করছেন এসব প্রাণীর জন্য।

শফিকুর রহমান মামুন (মানু) বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে আমরা মানুষেরাও যেমন বাঁচার চেষ্টা করছি, তেমনি এ প্রাণীগুলোকেও আমাদের বাঁচাতে হবে। কারণ এগুলো এ পরিবেশেরই অংশ এবং বাস্তুসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিছুদিন যাবত আমি আমার এলাকায় ছিন্নমূল কুকুর-বিড়ালগুলোর মধ্যে খাবার বিতরণের চেষ্টা করছি। ডেলিসিয়াস ফাস্ট ফুড স্বত্বাধিকারী সোহাগ মাহাবুব হাসান এর সহযোগিতায়, প্রতিদিন, ৪কেজি চালের
খিচুরি, দিচ্ছি। তার কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দিয়েছি। মিডিয়ার আকর্ষণ বা ফেসবুক সেলেব্রিটি হওয়ার জন্য না বরং অন্যদেরও উৎসাহিত করার জন্য। আমি নিজে ওদের জন্য যা পারি করছি। অন্যরাও যেন এগিয়ে আসে, এ বার্তা দিতে চাই।

অন্তর আহম্মেদ
নওগাঁ ০১৭৪২ ১৬২৩৫৫

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536