নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর বাজারে স্থায়ী ও সাপ্তাহিক কাঁচা বাজার খোলা জায়গায় স্থানান্তর-

নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর বাজারে স্থায়ী ও সাপ্তাহিক কাঁচা বাজার খোলা জায়গায় স্থানান্তর-

মোঃ রাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টারঃ-
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সামাজিক এবং শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনায় দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় স্থায়ী ও সাপ্তাহিক কাঁচা হাট-বাজারসমূহ খোলা জায়গায় অস্থায়ীভাবে স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রশাসনের উদ্দ্যোগে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় নাটোর জেলার প্রতিটি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল বেলা ১২ ঘটিকায় বাগাতিপাড়ার জামনগরে স্থায়ী ও সাপ্তাহিক কাঁচা বাজার জামনগর ডিগ্রি কলেজ মাঠে এবং স্থানান্তর করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াঙ্কা দেবী পাল উপস্থিত থেকে এই হাট-বাজার স্থানান্তরে কাজ পরিচালনা করেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াঙ্কা দেবী পাল বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের মানুষকে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে আমাদের এই কার্যক্রম। তারা আরও জানান, জামনগর বাজারে স্থায়ী ও সাপ্তাহিক কাঁচা বাজার পৃথক দুটি স্থানে সিরিয়াল করে ক্রমিক নম্বরের মধ্যমে স্থানান্তর করে ইজারাদারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মোঃ সোহাগ আলী, সাংবাদিক রাজিবুল ইসলাম বাবু, বাজারের ইজারাদার করোনা প্রতিরোধ কমিটির, বোরহান, নয়ন, “সিপিসি’র” অন্যতম সদস্য জোবায়দা খাতুন প্রমুখ।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536