মহেশপুর সীমান্তে ইছামতি নদীতে ভাসমান ব্যাক্তির লাশটি নিয়ে গিয়েছে বিএসএফ-

মহেশপুর সীমান্তে ইছামতি নদীতে ভাসমান ব্যাক্তির লাশটি নিয়ে গিয়েছে বিএসএফ-

রবিউল ইসলাম মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের ইছামতি নদীতে অজ্ঞাত যুবকের ভেসে ওঠা একটি লাশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। লাশটি মহেশপুরের খোসালপুর ও মাইলবাড়িয়া এলাকার ভারতীয় অংশ পাখিউড়া ইছামতি নদীতে ভাসছিল। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পাখিউড়া বিএসএফ ক্যাম্পের জওয়ানরা লাশ টি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে লাশটি বাংলাদেশী না ভারতীয় নাগরিকের তা নিশ্চিত করতে পারেনি ৫৮ বিজিবি।
এদিকে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় কলোনী পাড়া গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (২৭) নামে এক যুবক গত সোমবার থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। গ্রামবাসি ইছামতি নদীতে পাওয়া লাশটি আমির হোসেনের বলে তারা সন্দেহ করছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য খোন্দকার আব্দুল করিম অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন রাতে শ্যামকুড় পুর্বপাড়া গ্রামের ইদু শেখের ছেলে মোমিনুর ও সাদেক আলীর ছেলে শাহানুরের নেতৃত্বে একটি চোরাকারবারী দল ভারতে গরু আনতে যায়। ওই দলে আমির হোসেন ছিল। ইউপি সদস্যের ভাষ্যমতে নিখোঁজ আমির হোসেন তার শ্যালকের ছেলে। সীমান্তে গরু চোরাকারবারী মোমিন ও শাহানুর আমিরকে ফুসলিয়ে ভারতে নিয়ে যায় গরুর রাখাল হিসেবে। তারা আমির হোসেন ফিরে আসবে আসবে জানালে এখন দুজনাই গাঁঢাকা দিয়েছে।
ঝিনাইদহের খালিশপুর ৫৮ বিজিবির কমান্ডার লেঃ কর্ণেল কামরুল আহসান শনিবার এ প্রতিবেদককে জানান, ইছামতি নদীর ভারতীয় অংশে অজ্ঞাত একটি লাশ ভাসতে দেখে তারা বিএসএফকে খবর দেন। এরপর বিএসএফ লাশটি উদ্ধার করে। লাশটি বাংলাদেশী কারো কিনা সে বিষয়ে তাদের কাছে কোন তথ্য নেই। কেও অভিযোগও করেনি।
মহেশপুরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ হক জানান, শ্যামকুড় কলোনী পাড়ায় আমির হোসেন নামে একটি ছেলে গত ৪/৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। শুনেছি লাশটি তারই। কিন্তু এখনো আমরা দায়িত্বশীল সুত্র থেকে নিশ্চেত হতে পারেনি। আমি আমিরের পিতা কালু মন্ডলকে থানায় জিডি করতে বলেছি।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536