নোয়াখালীতে বাবা ব্রিকস ফিল্ড মালিক জাফর পাটোয়ারী সংবাদকর্মীকে গায়েব করে ফেলার হুমকি দিলেন

নোয়াখালীতে বাবা ব্রিকস ফিল্ড মালিক জাফর পাটোয়ারী সংবাদকর্মীকে গায়েব করে ফেলার হুমকি দিলেন

নোয়াখালী থেকে :

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তনময় দাস বর্তমান পরিস্থিতিতে নোয়াখালীকে লকডাউন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। আর তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম থেকে আসা দুইটি কয়লার ট্রাক কে, কোথায় থেকে এসেছেন এবং কোথায় যাবেন এই মর্মে জিজ্ঞাসাবাদ করলে,

ড্রাইভার জানান কয়লার ট্রাক গুলো এসেছে চট্টগ্রাম থেকে এবং যাবে এক নং ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে। আর তারেই জের ধরে বর্তমান করানো ভাইরাস প্রতিরোধে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তনময় দাসের লকডাউন প্রধানের বিষয়টি অবগত করি এবং ড্রাইভার এর কাছ থেকে মোবাইল নাম্বার নিয়ে ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন ব্রিকস ফ্রেন্ড মালিকের সাথে কথা বলে লকডাউন বিষয়টি সম্পর্কে তাকে বুঝিয়ে বলি,

প্রতিউত্তরে তিনি লজ্জিত হয়ে সংবাদকর্মীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং পরবর্তীতে টাকার চেয়ে জীবন মূল্যবান এই বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করবো বলে জানান। এই মর্মে তাকে সাবধান সর্তকতা করে গাড়ি দুইটির ড্রাইভারকে চলে যেতে নির্দেশ প্রদান করি। এই ঘটনার প্রায় আধ ঘন্টা পরে বাচ্চু পাটোয়ারী এবং সহদর জাফর পাটোয়ারী সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ৮ থেকে ১০ জন ছেলেপুলে নিয়ে অতর্কিত ভাষায় গালমন্দ সহ মেরে ফেলার, এমনকি গায়েব করে ফেলার হুমকি ধমকি দিতে থাকেন সংবাদকর্মীকে।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে মোবাইল কলে যোগাযোগের মাধ্যমে বাচ্চু পাটোয়ারী কে বোঝানোর চেষ্টা করি কিন্তু তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বলতে থাকেন, আমি ঘরে বসেই ইউএনও এবং থানার ওসিকে ম্যানেজ করি আর তোমরা কোথাকার কোন বালের সাংবাদিক। তার কথোপকথনের কল রেকর্ডিংটি সাংবাদিকের সংগ্রহে রয়েছে।

নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়ন বীরকোট গ্রামের জাফর পাটোয়ারী এবং বাচ্চু পাটোয়ারী সরকারি কর্মরত সম্মানিত লোকদের বিষয়ে আপত্তিকর কথার প্রতিবাদ জানালে, খুব উত্তেজিত হয়ে সংবাদকর্মীর উপরে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন এই সময়ে আশেপাশে থাকা লোকজন এসে সংবাদকর্মীদের ইজ্জত হেফাজত করেন।

প্রশ্ন হচ্ছে কয়লার ট্রাকগুলো যাচ্ছিল ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন ব্রিকস ফিল্ডে আর বাচ্চু এবং সহদর জাপর পাটোয়ারীর বাবা ব্রিকস ফিল্ড হচ্ছে ৩নং ডুমুরুয়া ইউনিয়নে যেখানে ড্রাইভার এবং মালিক দুজনেই তাদের ভুল স্বীকার করলেন সেখানে বাচ্ছু এবং জাফর পাটোয়ারী লোকজন নিয়ে এসে সাংবাদিকের উপর অতর্কিত ও উশৃংখল এবং গায়েব করে ফেলার হুমকি দেওয়ার অর্থ কি ?

বিষয়টি নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তনময় দাস মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ সত্যতা যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় অপরাধীদেরকে আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি দেশযোগ টেলিভিশন, চ্যানেল টি ওয়ান এবং দৈনিক জাতীয় পত্রিকা ডোনেট বাংলাদেশ নোয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে সংবাদ উপস্থাপন কারী সংবাদীক এবং সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য মাহমুদুর রশিদ রাজু এবং

জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটি গবেষণা ও সাহিত্য সম্পাদক, দর্পণ টিভি, ভোরের আলো, সি এন বাংলা টেলিভিশন, আইন বিষয়ক নিউজ পোর্টাল অপরাধ ডটকম সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী সদস্য আপোশহীন সত্য প্রচারক সাংবাদিক শাহাদাত হোসাইন স্বপনকে গায়েব করে ফেলার হুমকি সহ সরকারি কর্মরত সম্মানিত ব্যক্তিদের বিষয়ে আপত্তিকর অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তার রেকর্ডিংটি সত্য যাচাইয়ের অন্যতম দাবিদার।

নোয়াখালীতে কর্তব্যরত সরকারি কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সাংবাদিক হুমকির বিষয়টি নিরসনে আপনারা মুখ্য ভূমিকা পালন করবেন বলে আমরা আশা করছি।

সংবাদ শেয়ার করুন

মহেশখালীর প্রান্তিক দ্বীপ উপজেলা প্রান্তিক চাষিরা লবণের ন্যায্য মুল্যে পাচ্ছে না,১টি অসাধু সিন্ডিকেট বিদেশ থেকে লবণ আমদানীতে ব্যস্ত

দেলোয়ার হোছাইন, কক্সবাজার:

মহেশখালীতে গঠিত হল বাংলাদেশ লবণ চাষী বাচাও পরিষদ।

গঠিত পরিষদের দাবী মহেশখালীসহ বাংলাদেশের যে সকল জেলা উপজেলায় লবণ মাঠে লবণের চাষ হচ্ছে তাদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য দিন।

অন্যতায় লবণ শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে অনশন করবে।

দেশে বিপুল পরিমান লবণ উৎপাদন পরবর্তী একটি অসাধু সিন্ডিকেট বিদেশ থেকে লবণ আমদানী করার কারনে দেশিয় লবণের মূল্য দিন দিন কমে যাচ্ছে।

লবণ চাষী সহ প্রান্তিক লবণ ব্যবসায়ীদের মাঝে ধ্বস নেমেছে লবণ বিক্রিতে।

বর্তমানে নানা অর্থনৈতিক সংকটের মুখে প্রান্তিক লবণ চাষীরা।

আজ চরম হতাশায় এ শিল্পের উপর নির্ভরশীল মহেশখালী কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের ৮০ হাজার প্রান্তিক লবণ চাষী সহ ৫ লাখ মানুষ।

যারা দেশের মানুষের লবণের চাহিদা মিটিয়ে জীবন-যাপন করে থাকে।

৭০ হাজার একর এলাকাজুড়ে অবস্থিত এই শিল্প কক্সবাজারের মহেশখালীসহ উপকূলীয় উপজেলায় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ভাল নেই লবণ শিল্পের সাথে জড়িতরা।

লাগামহীন ভাবে লবণের দাম কমে যাওয়ায় খুবই ক্ষতিগ্রস্থ লবণচাষীরা।

লবণের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবীতে লবণ চাষী বাচাঁও পরিষদ নামে একটি সংগঠন ইতিপূর্বে আত্ম প্রকাশ হয়েছে।

বাংলাদেশ লবণ চাষী বাচাও পরিষদের আহবায়ক আলহাজ্বব সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে লবণ চাষী বাচাও পরিষদের ব্যানারে দাবী তুলে ধরে মহেশখালীতে ইতিপূর্বে বেশকিছু মানববন্ধন,সমাবেশ,সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন,মাঠ পার্যায়ে এক মন লবণ উৎপাদন করতে ব্যায় হয় ২০০/- থেকে ২৫০/- টাকা।

সে লবণ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। অথচ গত দুই বছর আগেও প্রতি মন লবণ বিক্রি হয়েছে ৫শ থেকে ৬শ টাকায়।

এখন চাষীদের লাভ’ত দুরের কথা গুনতে হয়েছে লোকসান।

আর এ ক্ষতি’র জন্য চাষীরা দায়ী করছেন অসাধু মিল মালিকদের সিন্ডিকেট ও চাহিদা পূর্ণ থাকার পরেও বিদেশ থেকে লবণ আমদানিকে।

এ অবস্থায় প্রান্তিক লবণ চাষী ও মালিকদের দাবী লবণের মূল্য আগের মতই রাখা হউক।

যাতে করে লবণ শিল্প বেঁচে থাকে আর এই শিল্পের সাথে জড়িতরা রক্ষা পায়।

যদি দ্রুত সময়ে লবণের নায্য মুল্য নিশ্চিত করা না হয় ,বিদেশ থেকে লবণের নামে সোডিয়াম সালপেট আমদানী করে এদেশের মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করছে।

দ্রুত প্রান্তিক লবণ চাষীদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা না হলে মহেশখালী সহ সারা দেশে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি লবণ শ্রমিকদের আমরণ অনসন সহ নানা কর্মসুচি পালন করা হবে বলে জানান বাংলাদেশ লবণ চাষী বাচাঁও পরিষদ।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা লবণের ন্যায্যমূল্য পেতে প্রধানমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। লবণ চাষী বাচাঁও পরিষদের সদস্য সচিব মহেশখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক এহছানুল করিম জানায়, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে মণ প্রতি লবণের দাম ছিল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪’শ থেকে ৪’শ ৫০ টাকায়।

২০১৮-২০১৯ সালে তা আরো কমে দাঁড়িয়েছে ১৭০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা।২০২০-২০২১ সালে ১৬০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায়।

কিন্তু মাঠে মণ প্রতি লবণ উৎপাদনে খরচ পড়ছে ৩শ টাকা। এখন প্রতি কেজি লবণের দাম পাচ্ছে ৪টাকা করে।

মহেশখালীর প্রান্তিক লবণ চাষীরা মোজাম্মেল হক জানান,মন প্রতি ৫’শ টাকা থাকা লবণ ১৮০ টাকায় নেমে যাওয়ায় আমরা খুব কষ্টে আছি।

আমি ঋণ নিয়ে এ চাষ শুরু করছিলাম কিন্তু এখনো পর্যন্ত ঋণ শোধ করতে পারিনি।

তার মতে এর জন্য দায়ী কিছু অসাধু মিল মালিক।

যারা সিন্ডিকেট করে লবণের দাম কমিয়ে ফেলেছে।

আর চাহিদা পূর্ণ থাকার পরেও বেশি লাভের আশায় বিদেশ থেকে লবণ আমদানি করে দেশি লবণের সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ লবণ চাষী সমিতির সভাপতি এডভোকেট শহিদুল্লাহ চৌধুরী জানানঃ-

আগের বছরের লবণের দামের উপর নির্ভর করে চাষিরা অগ্রিম টাকা নিয়ে লবণের মাঠ করছে।

এই অবস্থায় যদি ৫’শ টাকার লবণ ১৯০/- টাকা হয়,তাহলে চাষীদের মজুরীর টাকা পর্যন্ত উঠবেনা।

তিনি আরো বলেন, গত ৩ বছর বিদেশ থেকে লবণ আমদানি না করায় দেশে লবণের দাম ভাল ছিল।
চাষিরাও সন্তুষ্ঠ ছিল।

কিন্তু চাহিদা পূর্ণ থাকার পরেও ভ্যাট আর কর দিয়ে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি করা হচ্ছে।

অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় বিদেশী লবণের সাথে দেশি লবণ মিশিয়ে বিক্রি করছে।

আর তারাই লবণের দাম কমিয়ে দিয়েছে। যার ফলে চরম দূরাবস্থায় পড়েছে লবণ চাষী ও মালিকেরা।

বিষয়টি ইতিপূর্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন বলে ও জানান।

কক্সবাজারের ৭ উপজেলা চকরিয়া,পেকুয়া, টেকনাফ, কক্সবাজার সদর, রামু,কুতুবদিয়া,মহেশখালীসহ চট্টগ্রামের বাঁশখালীর প্রায় ৮০ হাজার লবণ চাষীর পাশপাশি এ শিল্পের সাথে ৫ লাখ মানুষ জড়িত।

তাদের একমাত্র আয়ের উৎস লবণ চাষ।

তাই লবণ চাষী ও মালিকদের ন্যায্যমূল্য প্রদানের মাধ্যমে বাচিঁয়ে রাখতে তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মহেশখালীর প্রান্তিক দ্বীপ উপজেলা প্রান্তিক চাষিরা লবণের ন্যায্য মুল্যে পাচ্ছে না।Darpon TV

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সরকারি কলেজ। অনন্য সৌন্দর্য মন্ডিত এ প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের অনন্য অবদানের কারিগর এ কলেজেরই বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী। ২০১৩ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি যোগদানের পর থেকেই কলেজ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধনসহ পঠন ও পাঠন তথা শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বর্তমান কলেজ ক্যাম্পাস দেখে মুগ্ধ হয় আগত সকলেই। তাঁরই প্রচেষ্টায় কলেজে ভবনসমূহের আশপাশে নানা প্রজাতের ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা লাগানো থেকে শুরু করে কলেজের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট মেরামত, খেলার মাঠ সংস্কার, ভবনের সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্লাস রুম সংস্কার, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, নিরাপত্তা বিধানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপদ সুপেয় পানির জলাধার স্থাপন, কলেজ ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই জোনে পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল হাজিরা, ফলাফলসমূহ অনলাইনে প্রকাশসহ বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ বহুমাত্রিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরীর নিবিড় পরিচর্যায় ছাত্রীনিবাসের আঙ্গিনা, কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখস্থ বাগান ও তৎসংলগ্ন নির্মিত দু’টি বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ সংরক্ষণাগারে বাহারি ফুলে কানায় কানায় ভরে উঠেছে। গাদা, সিলভিয়া, ডায়ান্তাজ, কচমচ, জিনিয়াসহ নানা প্রজাতির ফুল রয়েছে এখানে। দৃষ্টিনন্দন এ সকল ফুল দেখে যে কেউই ফুলগুলোর সাথে অন্তত একটি ছবি উঠাতে ভুল করেন না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম জানান, ফুল পবিত্রতা ও শুভ্রতার প্রতীক। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা এরূপ মনোমুগ্ধকর নানা প্রজাতির ফুলে ফুলে ভরে তুললে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানমুখী হবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রতি বিমুখীতা দেখা যায়। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহপাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে পারলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় তথা কলেজমুখী হবে এবং এটি গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

অপরূপ সাজে সেজেছে কক্সবাজার সরকারি কলেজ আঙ্গিনা।Darpon TV

মোঃসামছু উদ্দিন লিটন, বিশেষ প্রতিনিধি নোয়াখালী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নে থেকে অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৭) দুই মাস পর ঢাকার সাভার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেন। মামলায় আসামি সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড ও ফয়সালের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়েছে আদালত।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অপহৃত ছাত্রীকে সাভারের পূরগাও এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে অপহৃত ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযানকালে বেগমগঞ্জ থানার এসআই মোস্তাক আহমেদ, ফিরোজ আলম, রুবেল মিয়া ও এএসআই নূর নবীর নেতৃত্বে শনিবার সন্ধ্যায় সাভারের পূরগাও এলাকার জৈনিক রুবির বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় ওই বাসায় অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে শনিবার বিকালে নোয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মোসলেহ উদ্দিন মিজান ১৬৪ ধারায় আসামি ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর আসামি ইমনকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় তিন দিন ও পর্ণোগ্রাফি মামলায় দুই দিনসহ মোট পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন জানান, পৃথক দুটি মামলায় সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করলে আদালত দুটি মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ রাতে মামলার আসামি ফয়সাল ও জোবায়ের ঘরে ডুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে। ঘরে থেকে যাওয়ার সময় তারা আলমেরি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও দুইটি আংটি নিয়ে যায়। গত ২০২০ সালের ৫মার্চ রাত আড়াইটার দিকে ইমন ও রাসেল ঘরে ডুকে নির্যাতিতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিন মাস পর রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকার মিরপুর-২, ৭নং রোডের ৩নং গলির জান্নাত নামে এক নারীর কাছ থেকে মেয়েকে নিয়ে আসেন তার মা। ওই তিন মাসে অপহৃতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে রাসেল। এরপর বিভিন্ন সময় ইমন বাড়িতে এসে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবশেষ গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে আবারও অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ফয়সাল ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

নোয়াখালী থেকে অপহরণের দুই মাস পর কিশোরী উদ্ধার

themesbazartvsite-01713478536