সাময়িক অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ ও সেনিটাইজার সামগ্রী বিতরণ করলেন বনপাড়া পৌর মেয়র-

সাময়িক অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ ও সেনিটাইজার সামগ্রী বিতরণ করলেন বনপাড়া পৌর মেয়র-

মোঃরাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টারঃ-

নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়া পৌরসভার উদ্যোগে করোনা পরিস্থিতির কারণে সাময়িক অসহায়ত্বের শিকার হওয়া পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও সেনিটাইজার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার পারভেজ ও পৌর মেয়র কেএম জাকির হোসেন ২০০ পরিবারের মাঝে এ সহায়তা তুলে দেন। নিরাপদ দূরত্ব নিশ্চিতকরণের মধ্য দিয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে উপস্থিত পরিবারের প্রতিনিধিরা প্রতিজন নগদ অর্থ ৫’শত টাকা ও সেনিটাইজার সামগ্রীর মধ্যে সাবান, হ্যান্ড সেনিটাইজার, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোবস, ব্লিচিং পাউডার গ্রহণ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী, পৌর কাউন্সিলর শরীফুন্নেছা শিরিণ, আতাউর রহমান মৃধা, জাহাঙ্গীর আলম হেলাল, ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান, ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি রেজাউল করিম মৃধা, সাবেক উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কাজী আব্দুল্লাহ্ , বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বড়াল বার্তার প্রকাশক-সম্পাদক অমর ডি কস্তা, বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অহিদুল হক সহ অন্যান্য সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।
পৌর মেয়র কেএম জাকির হোসেন জানান- ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে দল-মত নির্বিশেষে সকল অসহায়দের তালিকা তৈরী চলমান আছে। সে তালিকার প্রতিজনই সরকারের দেয়া সকল সুযোগ-সুবিধা শতভাগ পাবে। পাশাপাশি পৌরসভা ও ব্যক্তিগতভাবেও সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536