ভাঙ্গুড়ায় স্বেচ্ছায় লকডাউন খানমরিচ গ্রাম

ভাঙ্গুড়ায় স্বেচ্ছায় লকডাউন খানমরিচ গ্রাম

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) থেকে রাজিবুল রোমিও: রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের “খানমরিচ” গ্রামকে স্বেচ্ছায় “লকডাউন” ঘোষণা করে মাইকিং করেছে দিয়েছে স্থানীয় গ্রামের প্রধান বর্গ ও সচেতন যুব সমাজ।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গ্রামের মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে রাখতে নিজেরা থেকেই পুরোপুরি লকডাউন শুরু করে।

এসময় গ্রামটির তিনটি মূল প্রবেশ পথে লাল পতাকা দিয়ে নিশান এবং বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছে খানমরিচ গ্রামের সচেতন যুবসমাজ।একইসঙ্গে গ্রামজুড়ে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি প্রবেশ পথে রাখা হয়েছে জিবানুনাশক স্প্রে, পানির ট্যাংক ও সাবান।

এছাড়া গ্রামে অন্য এলাকার কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। আবার যৌক্তিক কারণ ব্যতীত কাউকে গ্রাম থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। এর জন্য গ্রামের সচেতন যুব সমাজ স্বেচ্ছায় কড়া নজরদারি এবং টহলে রেখেছে গ্রামের মূল তিনটি প্রবেশপথ।

খানমরিচ গ্রামের বাসিন্দারা “দৈনিক কলম সৈনিক”কের প্রতিবেদককে বলেন, বাইরে থেকে অনেক লোকজন আমাদের গ্রামে এসে ঘোরাঘুরি করে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও খানমরিচ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিকে জানানো হয়।

পরবর্তীতে খানমরিচ গ্রামের প্রধান বর্গ ও গ্রামের সচেতন যুব সমাজ নিজেরা আলোচনা সাপেক্ষ বাইরের লোকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

দৈনিক কলম সৈনিক কে “সচেতন যুব সমাজ” থেকে বলা হয়, আমরা খানমরিচ গ্রামের তিনটি প্রবেশপথে লাল নিশান ও বাঁশ দিয়ে ঘিরে দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাইরের কাউকে গ্রামে ঢুকতে দেবো না।

স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা “দৈনিক বুলেটিন”র স্থানীয় প্রতিনিধি মামুন “দৈনিক কলম সৈনিক”কে বলেন, খানমরিচ গ্রামের তিনটি মূল প্রবেশ পথ, খানমরিচ বিএম কলেজ এলাকা, কুমোর গারা বটতলা এলাকা এবং খানমরিচ দক্ষিনপাড়া এলাকা সহ পুরো খানমরিচ গ্রাম লকডাউন ঘোষণা করেছেন গ্রামের প্রধান বর্গ ও স্থানীয় যুবকেরা।

গ্রামের স্থানীয় “সচেতন যুব সমাজ” প্রতিবেদককে আরো বলেন, আমরা পুরো এলাকা বহিরাগতদের জন্য সতর্কতামুলক স্বরূপ মাইকিং করেছি। যে কোনো যানবাহন বা পায়ে হেটে কেউ যেনো গ্রামে প্রবেশ না করে, এরপরও যদি বাহিরের কেউ প্রবেশের চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536