মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত ঝিনাইদহে পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান পিপিএম-

মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত ঝিনাইদহে পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান পিপিএম-

রবিউল ইসলাম মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ-

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানব প্রেমিক জনদরদী মানবতার উজ্জল নক্ষত্র হয়ে রাত-দিন কাজ করে চলেছেন পুলিশ সুপার জনাব হাসানুজ্জামান পিপিএম। সকল মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি। জেলার ৬টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে সামাজিক দুরত্ব সৃষ্টি অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হবার পরামর্শ দিয়ে চলেছেন। মানবিক কার্যক্রমে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সব সময় নিবেদিত প্রাণ। জেলা পুলিশ এ করোনা যুদ্ধে ২০ লাখ মানুষকে সচেতন করার জন্য লিপলেট বিতরন, প্রচার, খাদ্য সামগ্রী ও মাস্কসহ কর্মহীন মানুষের মাঝে বিতরণ করে চলেছে। যখন গরীব-অসহায় মানুষ মানবতার জীবন যাপন করছে তখন এগিয়ে এসেছেন এই ফেরিওয়ালা।এরি মধ্যে তিনি হরিনাকুন্ড ঝিনাইদহ সদরসহ বিভিন্ন স্থানে অসহায় গরীব দুঃস্থ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রি পৌঁছে দিয়েছেন। তেমনি আজ ০৫/০৪/২০২০ইং রোজ রবিবার
রাতের বেলা কোটচাঁদপুর থানার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দিনমজুর, অসহায়, দুঃস্থ মানুষের নিকট ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। যার কারনে সুযোগ্য পুলিশ সুপারের নাম দিয়েছে জনতা মানবতা প্রেমিক অসহায় গরীব মানুষের ফেরিওয়ালা। জয় হোক জেলা পুলিশের।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536