সাংবাদিক তমিজউদদীন তাজ বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন।

সাংবাদিক তমিজউদদীন তাজ বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন।

মহসিন মুন্সী, ব্যুরো চীফ, ফরিদপুর।

জীবনের প্রায় অর্ধ শতাব্দী মফস্বল সাংবাদিকতায় অনবদ্য অবদান রাখায় বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ফরিদপুরের প্রবীণ সাংবাদিক এস.এম. তমিজউদ্দিন তাজ।

সোমবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এস.এম তমিজউদ্দিন তাজের হাতে ক্রেস্ট, ১ লাখ টাকা ও সন্মাননা সনদ তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ চৌধুরী।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম এবং বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১ এর জুরি বোর্ড প্রধান ড. মো. গোলাম রহমান।

এস.এম. তমিজউদদীন তাজ ১৯৫৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা মৃত এস.এম. আব্দুস সালাম ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকুরী করতেন। এ প্রবীণ সাংবাদিক ১৯৬৫ সালে প্রাইমারীর গন্ডি শেষ করেন। পরে ১৯৭২ সালে ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাশ ও ১৯৭৫ সালে ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স সম্পন্য করেন।

পড়ালেখা শেষ করে এস.এম. তমিজউদদীন তাজ চাকুরীর দিকে না ঝুঁকে ১৯৭৬ সালে যশোর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক দেশ হিতৈষী পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত আছেন। পেশাগত জীবনে তিনি দৈনিক দেশ জনতা, দৈনিক দেশ বাংলা, দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক দিনকাল ও দৈনিক দেশসহ অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় ফরিদপুর সাংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। সে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের ৮ বার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য। বর্তমানে ফরিদপুর থেকে প্রকাশিত সপ্তাহিক গণমন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এস.এম. তমিজউদদীন তাজ সুদীর্ঘকাল থেকে জেলায় সাংবাদিকতা করাসহ সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে চলেছেন। নতুন নতুন সাংবাদিক তৈরি ,সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে আপোষহীন এক নাম।

পুরুস্কার প্রাপ্তির পরে এস.এম. তমিজউদদীন তাজ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এটা একটা বিরল অনুভূতি। কারণ, ৪৭ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় আছি। দু-একটি ছোট খাট সন্মাননা পেলেও এবারই বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের মত বড় প্লাটফর্মে পুরুস্কার পেয়ে আমি সত্যিই ভাষাহীন। আমি গর্ব করে বলতে পারবো ৪৭ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে আমি বসুন্ধরা অ্যাওয়ার্ডের মত একটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। মফস্বল সাংবাদিকদের এভাবে মূল্যায়ন করার জন্য আমি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আজ ৪৭ বছরের অবহেলিত জীবনে আমার মনে হচ্ছে সব পরিশ্রমই বৃথা যায়নি। আমি মূল্যায়ন পেয়েছি। এজন্য আমি খুব খুশী।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য ১১জন এবং ৬৪ জেলা থেকে ৬৪ জন গুণী সাংবাদিককে সন্মাননা প্রদান করা হয়।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536