গোয়াইনঘাটের ইউএনও’র বাহারি ঈদ উপহার ব্যাখ্যা চেয়েছেন মন্ত্রী

গোয়াইনঘাটের ইউএনও’র বাহারি ঈদ উপহার ব্যাখ্যা চেয়েছেন মন্ত্রী

৩৬ লাখ ৪৯ হাজার টাকার ঈদ উপহার বিতরণ করে সমালোচনার মুখে বেশ বেকায়দায় রয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান ৷

গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন পর্যটন স্পটের চাঁদা বা ফি’র টাকায় স্থানীয় নেতাবর্গ সহ লোকজনকে ম্যানেজ করতেই ‘ঈদ উপঢৌকন’ লেখা সম্বলিত ১ হাজার পাঞ্জাবি বিতরণ করেন তিনি নিজে এবং তার নিয়োগকৃত লোকজন দিয়ে ৷

শ্রেণিবিদ্বেষ অনুযায়ী কয়েকজনকে তার সিএ ফোন করে উপহার নেয়ার অনুরোধ করেন। তবে ইউএনও’ র এই উপহার প্রত‍্যাখান করে তা ফিরিয়ে দিয়েছেন একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও ২ জন ইউপি চেয়ারম্যান। দুই চেয়ারম্যান হলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হেলাল ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ডৌবাড়ির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন।

সবাইকে ম‍্যানেজ করতে লাল কালারের আড়ং ব্র্যান্ডের এই এক হাজার পাঞ্জাবী রমজানের মাঝামাঝি সময়ে অর্ডার করেন বিতর্কিত এই ইউএনও তাহমিলুর রহমান।

গত ২৫ রমজান সিলেটের আড়ং হতে তার সিএ এবং গাড়ি ড্রাইভার পাঞ্জাবী সংগ্রহ করেন। ৩,৬৪৯/= টাকা দামের প্রতিটি পাঞ্জাবী আকর্ষণীয় ও কারুকাজ সম্বলিত বলে জানিয়েছেন আড়ংয়ের একজন কর্মকর্তা।

আমার প্রশ্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাসিক সেলারি কত ? ১০ লাখ,২০ লাখ টাকা যদি মাসিক সেলারি হয়, তবে এত লাখ টাকা খরচ করে উপহার দিতেই পারেন তিনি !!! আর যদি তা না হয় তবে, কোন খাত হতে তিনি টাকা পেলেন তার হিসেব জানার অধিকার রাখে জনগণ।

এবার বিব্রত কর্মকাণ্ডের পর্যটন কেন্দ্রের ফি আদায়ের বৈধতা ও স্পষ্ট ব্যাখা চেয়ে বসেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদের সরকারের মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

অপেক্ষা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান কি ব্যাখাদেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536