একটি দুর্ঘটনা ! কয়েকটি সংসার ধ্বংসের কারন হতে পারে

একটি দুর্ঘটনা ! কয়েকটি সংসার ধ্বংসের কারন হতে পারে

মহসিন মুন্সী, ব্যুরো চীফ, ফরিদপুর

উপরের ছবিটি এখন শুধুই ছবি, বাস্তবে এর কোন উপস্থিতিই নেই।এরকম নিষ্পাপ একটি হাসিমুখ আবার কখন কোথায় পাবো জানিনা।
বাচ্চু ( অনেকের নিকট নিজের উচ্চারন অপারগতার কারনে বাক্কু) ছিলো জন্মসূত্রেই একজন অপূর্ণ মানুষ। তার শারীরিক বা মানসিক কোনটিই পূর্ণতা প্রাপ্ত ছিল না। তার কথা ছিল আধো আধো। পূর্ণবয়স্ক মানুষের সমান সে ছিলনা। তার কথায় অনেকেই মজা পেত। এই ব্যাস্ত শহরে অন্যের ফুট ফরমায়েশ খেটে দুচার পয়সা যা আয় হত তা দিয়েই সে চলত।তার চাহিদা ও আহামরি কিছু ছিল না। সুস্থ লোকেরা যে কাজ করে ৫০ টাকা মুজুরী নিত, বাচ্চু সে কাজ করার পরে ১০ টাকা দিলেও খুশি মনে চলে যেত। ‌‌আমাদের মত এত বাহ্যিক চাহিদা তার ছিল না, অল্পতেই সন্তষ্ট থাকতো সে।

অল্প কয়েকদিন আগে একটি দ্রুতগামী মোটরবাইক তাকে ধাক্কা দেয়। মোটরবাইক টিতে চালক সহ ৩ জন যাত্রি ছিল। এই নিরিহ নিষ্পাপ মানুষটি রাস্তার বাইরে থাকার পরেও প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা বাইকটি তাকে পূর্ণ শক্তিতে আঘাত করে। আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় অপূর্ণ মানব বাচ্চু র শরীর মনন।
আঘাতপ্রাপ্ত শরীর থেকে অঝর ঝরতে থাকে রক্ত ধারা। স্থানীয় ছেলেপেলেরা তাকে তৎক্ষণাৎ নিয়ে যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সকলের সহযোগীতায় চলে চিকিৎসা। কিন্তু চিকিৎসকগন আস্থা রাখতে না পেরে রেফার করেন ঢাকায়।
সকলের সহযোগীতায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর উন্নত চিকিৎসার জন্য। কিন্তু বিধিবাম। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই বাচ্চু এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে।
কেউ তার জন্য কাঁদবে কিনা জানিনা। বা ফি বছর তার মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হবে কিনা তাও জানিনা। শুধু এটুকু বলতে পারি বাচ্চু র মত একজন ভালো মনের মানুষ জীবনে আর পাবো কিনা জানিনা।
আল্লাহর নিকট এই কামনা আমরা করতেই পারি যেন তিনি আমাদের মাঝে এমন ভালো মনের মানুষ আরো বেশি বেশি করে পাঠান।

যে মোটরবাইকের ধাক্কায় আমরা আজ বাচ্চু কে হারিয়েছি, সেই বাইকের ৩ যাত্রির মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উল্লেখযোগ্য যে বাইক যাত্রি ৩ জনই টিন এজার।

এসূত্রে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ আপনার জন্ম দেয়া সন্তানকে আপনি মেরে ফেলতেই পারেন! সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে টিন এজ সন্তানকে সবচেয়ে দামি সর্বাধুনিক মডেলের মোটর বাইক কিনে দেয়া!

আমরা চাই আর কোন বেপরোয়া বাইক রাইডারের কারনে যেন আমরা আর কোন সুন্দর মনের বাচ্চু কে না হারাই।
আল্লাহ বাচ্চু কে যেন জান্নাতবাসী করেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

সাইফুল ইসলাম,কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের মহেশখালীর কালামারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব -১৫।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ২ টার দিকে র‍্যাব -১৫ একটি টিম মহেশখালীর কালামারছড়ায় এঅভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাব -১৫ এর অতিঃ পুলিশ সুপার সিনিঃ সহকারী পরিচালক ( ল ‘ এন্ড মিডিয়া ) অধিনায়ক মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান, মহেশখালীর কালামারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তার উপর কয়েকজন সন্ত্রাসী অপরাধমূলক কর্মকান্ড করার জন্য অবস্থান করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক দল অভিযানে গেলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে খায়রুল আলম ( ২৫ )ও ছৈয়দুল করিম ( ৩৩ )কে আটক করে।এসময় এই সিন্ডিকেটের ২/৩ জন সদস্য কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে আটককৃতদের কাছ থেকে ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ,২ টি একনলা বন্দুক ও ২ টি ওয়ানশুটারগান উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান:আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সমাজে অস্হিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহেশখালী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

মহেশখালীতে অস্ত্রসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার।

themesbazartvsite-01713478536