বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯১৮ সালে । রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯১৮ সালে । রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯১৮ সালে । রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮।

এতে মারা যায় প্রায় দেড়লাখ মানুষ ।

কিছু কাল আগের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১!

ভূতাত্ত্বিকদের মতে , একটা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার ১০০ বছর পর আবার ঐ দেশটিতে বড়মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । ১৯১৮ এর পর ১০০ বছর পার হয়ে গেছে ।
এখন ২০২১!

ইন্ডিয়ান, ইউরোশিয়ান এবং বার্মা তিনটি গতিশীল প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান বলে যেকোনো সময় বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে ।

অর্থাৎ যেকোনো সময়ই আমাদের দেশে ভূমিকম্প হতে পারে । বছরের যেকোনো মাস, দিন অথবা সময়ে ।

সকাল, দুপর , মাঝরাত যে কোনো সময় আপনারে আশ্রয় দেওয়া ভবন আপনার শরীরের উপর ধসে পড়তে পারে ।

ঢাকায় যদি শুধুমাত্র ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়, তবে ৭২,০০০ ভবন ধসে পড়বে । ঢাকায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষের বাস । ঢাকার পর দুটি ঝুঁকিপূর্ণ শহর চট্রগ্রাম ও সিলেট।

আল্লাহ না করুন, যদি এরকম ঘুমন্ত অবস্থায় ভোরে অথবা মাঝরাতে ভূমিকম্প হয়, ঢাকা শহর পুরোটাই মৃত্যু নগরীতে পরিণত হবে ।

ফ্লাইওভার-ব্রিজ ভেঙে পড়বে । বিদ্যুৎ গ্যাস লাইনে আগুন ধরে যাবে। পানির লাইন ফেটে পড়বে ।

আল্লাহ না করুক, এসব না ঘটুক । অসংখ্য লাশ বুকে নিয়ে না হয় যুদ্ধ ছাড়াই ট্রয় নগরীর মতো পুড়তে হবে নগরকে, দেশকে।

একবার চোখ বন্ধ করে সবটা কল্পনা করতে গেলেও শিউরে উঠতে হয়।

অতীতে সাভারে শুধুমাত্র একটা ভবন ধসে পড়ায় তার থেকে উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে সরকারের লেগেছিলো ৭ দিন । ঢাকায় যদি ৭২০০০ ভবন একদিনে ভেঙে পড়ে, কি হবে বাকিটা বুঝে নিন ।

তাহলে ভরসা? আমাদের বেশি বেশি আল্লাহ’র কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত…

আমরাই বোধহয় মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র যারা মৃত্যু ( একদিন তো মরে যাবো) নিয়ে ট্রল করতে পারি । প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে ট্রল করতে পারি।

বছর ঘুরে বর্ষায় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় হয় প্রত্যেকবার। যারা উপকূল হতে দূরে, নগরে, সেফজোনে থাকে তারা বুলবুল ফণী নিয়ে ট্রল করে ফেসবুক ভাসায় ।

আসলে সেফজোন বলতে কিছু নেই ।

‘ আমরা সকল মানুষই আইসিউর মতো লাইফসাপোর্টে আছি, যেকোনো সময় মারা যেতে পারি । ‘

আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন সবাইকে। প্রিয়জনদের হেফাজত করুক । অকস্মাৎ মৃত্যু নয়, বাঁচতে বাঁচতে ঈমানসহ যাতে মরতে পারি সেই দয়াটুকু করুক..!
আমীন।।।

কালেক্টেড

সংবাদ শেয়ার করুন

সাইফুল ইসলাম,কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের মহেশখালীর কালামারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ দুজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব -১৫।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ২ টার দিকে র‍্যাব -১৫ একটি টিম মহেশখালীর কালামারছড়ায় এঅভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাব -১৫ এর অতিঃ পুলিশ সুপার সিনিঃ সহকারী পরিচালক ( ল ‘ এন্ড মিডিয়া ) অধিনায়ক মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান, মহেশখালীর কালামারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তার উপর কয়েকজন সন্ত্রাসী অপরাধমূলক কর্মকান্ড করার জন্য অবস্থান করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক দল অভিযানে গেলে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে খায়রুল আলম ( ২৫ )ও ছৈয়দুল করিম ( ৩৩ )কে আটক করে।এসময় এই সিন্ডিকেটের ২/৩ জন সদস্য কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে আটককৃতদের কাছ থেকে ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ,২ টি একনলা বন্দুক ও ২ টি ওয়ানশুটারগান উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান:আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সমাজে অস্হিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহেশখালী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

মহেশখালীতে অস্ত্রসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার।

themesbazartvsite-01713478536