চীফ হুইপ লিটন চৌধুরীর পক্ষ থেকে শিবচরের নিলখী ইউনিয়নে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন।

চীফ হুইপ লিটন চৌধুরীর পক্ষ থেকে শিবচরের নিলখী ইউনিয়নে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন।

মীর এম ইমরান মাদারীপুর বিশেষ প্রতিবেদকঃ-

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটনের পক্ষ থেকে মাদারীপুর শিবচরের নিলখী ইউনিয়নে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম চলছে। করোনা পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনে কর্মহীন পরিবারদের এ খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। পর্যায়ক্রমে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হবে। সেক্টর কমান্ডার মো: মোস্তাফিজুর রহমান খান মোস্তাক ও নিলখী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান শিকদারের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৭-৮-৯ নং ওয়ার্ডের শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রায় ৫শত পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিলখী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর ভূইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াসিম মাতুব্বর ও ইউপি সদস্য বৃন্দরা।
জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরীর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিবচর উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের ৭-৮-৯ নং ওয়ার্ডের ভ্যান, ইজিবাইক চালক, চায়ের দোকানদার, কামার, রবিদাস, শীল সম্প্রদায়ের ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।

এদিন পরিবার প্রতি চাল, ডাল, তৈল, আলু, লবন, সাবানসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়। এর আগে আরো তিন ধাপে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।
নিলখী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো: মিজানুর রহমান শিকদার বলেন, করোনা মহামারীর কারনে চলমান লকডাউনে নিম্ন আয়ের মানুষের আয় রোজগার বন্ধ রয়েছে। তাই চীফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী মহোদয়ের নির্দেশনায় নিম্ন আয়ের মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি সকলকে লকডাউন বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকার আহব্বান জানিয়েছেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536