লামার ৫নং সরই ইউনিয়নে ৩৬০জন অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ

লামার ৫নং সরই ইউনিয়নে ৩৬০জন অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ

ইসমাইল হোসেন সোহাগ, বিশেষ প্রতিনিধ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচীর আওতায় ও জেলা পরিষদের আয়োজনে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ধাপ মোকাবেলায় বান্দরবানের ৫নং ইউনিয়নের ৩’শত ৬০ জন অসহায়, দুঃস্থ কর্মহীন অসচ্ছল পরিবারের মাঝে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

আজ ০৩ জুলাই”২০২১ইং শনিবার সকালে ৫নং সরই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি করে চাউল।

উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানে ৫নং সরই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আবছারের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং লামা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ মাহাবুবুর রহমান।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয়ের নির্দেশে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দী কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষথেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী দু:স্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের মানুষ আজ কঠোর লকডাউন ও করোনার এই দু:সময়ে সরকারি সহায়তা পাচ্ছে। এভাবে পুরো লামা উপজেলায় পর্যাক্রমে বাকী প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ধারাবাহিক ভাবে আসহায় পরিবারকে দেওয়া হবে এবং এই সহায়তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও তিনি সকলের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয় সহ সকল নেতৃবৃন্দের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া চেয়েছেন।

উপহার সামগ্রী বিতরণ কালে পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও লামা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভানেত্রী নারী ফাতেমা পারুল আপা, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সভাপতি ও ১নং গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য ও মানবপ্রেমিক চেয়ারম্যান বাবু বাথোয়াইচিং মার্মা, সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিজয় কান্তি আইচ, সাংগঠনিক সম্পাদক কর্মীবান্ধব নেতা বাবু প্রদীপ দাশ, দপ্তর সম্পাদক অজহা ত্রিপুরা, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ইদ্রিস কোম্পানি, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলী বিশ্বাস, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন, সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ আরিফুল হোসেন, কালেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আদনান নাহিদ, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি বিপ্লব নাথ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ৫নং সরই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দর্জধন ত্রিপুরা (হেডম্যান), বান্দরবান পৌর কৃষক লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ডলার, ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খালেদা বেগম, সাধারণ সম্পাদক অংজারং ত্রিপুরা, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তার, ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ সেলিম উদ্দীন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন তংচংগ্যা, সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদুল আলম, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুহাম্মদ বাবুল, ছাত্রলীনেতা মোঃ সোহেল, ছোটন সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্থানীয় জন-প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536