Environment Pollution.

সোহেল সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ-

পরিবেশ দূষণ আমাদের বর্তমান আধুনিক বিশ্ব রাষ্ট্রে একটি অতি পরিচিত নাম। গত ৫ই জুন, ২০২১ ইং ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। বিশ্ব পরিবেশ দিবসটাতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপন করার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি উদযাপন করেন। পরিবেশ বলতে বোঝায়,
All thigs surrounding us all objects arround in where live in either or in where dwelling is under the Range of environment bouth lively and non-lively objects the inert matter the organic and in- organic objects from the deep sky in where the galaxy of planets the Sun the sub-planet of Earth Moon, the Nova, the Jupiter, the Saturn, the Mars etc.The Ocean’s the gret rivers and small rivers. the brooks, the lakes camels, the ponds, the forests, the desserts, the valleys,the hilly region and plain region of the land of Earth, the mountain himaloyus,the battaly Hill of Chittagong of Bangladesh, the hilly regions of Chittagong, the tea plant of district hylet of Bangladesh, the mango plant of Rajshahi district of Bangladsegh, the great river of Bangladesh, the Padma, the Jumona and the Meghna, the localities of both site of the river are under the range of environment, the natural vlewes of Rangamati kaptai lake, the mangrove sundarbon in bistrlct khulna of Bangladesh, the big Cities of Bangladesh, the urban of Bangladesh, the villages of Bangladesh, the big cities of institutions of Bangladesh, the industrial area of Bangladesh, the market place of Bangladesh, the residential area of Bangladesh, the religious institutions of Bangladesh all the phanamon are under the range of environment. Our environment are polluted by various ways. Some common environment pollution is aire pollution, sound pollution, water pollution.

আধুনিক যন্ত্র সভ্যতার যুগে বিভিন্ন ধরনের মাঝারি ও ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নির্গত ক্যামিকেল বর্জ্যগুলো নালা নর্দমা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জাতীয় নদীগুলোতে পড়ে। এতে করে বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী, নারায়নগঞ্জের শীতলক্ষা নদী, বন্দর নগরী চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী, বৃহত্তর নদীগুলোর মধ্যে মেঘনা নদী, বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ নদী বন্দর ও ভৈরব এলাকায় নদী দূূষণ হয়ে থাকে অতি স্বল্প পরিসরে; যা ধর্তব্যের বাইরে। রাজধানী শহর ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নদী। এই নদীর তীরে কেরাণীগঞ্জ, পুরাতন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ বিদ্যমান। বুড়িগঙ্গা নদীর মাধ্যমে মহানগরে বসবাসকারী সকল জেলার বাসিন্দারা নৌ-পথে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে; অর্থাৎ নৌ-রুটে যাতায়াত করে থাকে। বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের কেমিক্যাল বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীতে গড়িয়ে পড়ে নদীর পানির স্বাভাবিক রঙ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন ধরনের পলিথিনের ব্যাগ ও অন্যান্য আবর্জনা ও বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীর বুকে পড়ে এগুলো জমা হতে হতে নদীর নাব্যতা অনেকটা কমে গেছে। বিভিন্ন প্রভাবশালী ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে বুড়িগঙ্গা নদীর প্রসস্থতা বিগত কালের থেকে অনেকটা সংকুচিত হয়ে গেছে। অবশ্য বর্তমান সরকার বুড়িগঙ্গা নদকে বাঁচিয়ে রাখতে নানান ধরনের সরকারি পদক্ষেপ নিয়েছেন। বুড়িগঙ্গা নদীর উভয় তীরে অভিযান চালিয়ে অবৈধ দখলদারদের অনেক স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করেছেন। এতে করে নদীর প্রসস্থতা অনেকটা বৃদ্ধিা পেয়েছে। নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি কল্পে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ সংস্থা ইতিবাচক ব্যবস্থা নিবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। দেশের বৃহত্তর নদী যমুনা, ভাঙ্গনের কবলে পড়ে যমুনা তীরবর্তী বহু গ্রাম ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে করে যেমন আমাদের ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে; তেমনি প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর একটা বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ হলো চীনের পরেই অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্র। আমাদের বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় এক লক্ষ বর্গ কিলোমিটার বা তার চেয়ে সামান্য বেশি। অথচ আমাদের লোকসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৬ লক্ষ প্রায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে রুজি-রোজগারের আশায় ও উন্নত শহুরে জীবনযাপন করার আশায় প্রতিনিয়তই গ্রাম থেকে শহরমুখী মানুষের ঢল নামে। এতে দুই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে। এক. যানবাহনগুলোতে ধারণক্ষমতার অধিক লোকজন যাতায়াত করে; এতে করে প্রায়শই সড়ক দূর্ঘটনা, রেল দূর্ঘটনা, নৌ-দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। দুই. শহরগুলোতে লোকসংখ্যার আধিক্য ঘটে; স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীতে। দৈনন্দিন জীবনে ১৬ কোটি ৯৬ লক্ষ মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্য চলতে থাকে প্রতিনিয়ত। শ্বাস গ্রহণের সময় আমরা অক্সিজেন গ্যাস গ্রহণ করে থাকি এবং নিশ্বসের মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নিঃস্বরণ করে থাকি। ১৬ কোটি ৯৬ লক্ষ মানুষের নিঃশ্বাসে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস আমাদের বায়ু মন্ডলে গিয়ে ঠেকে। শহরের এলাকায় যেখানে ঘন জনবসতি এলাকা, ওসকল এলাকায় দৈনিন্দন প্রচুর ভারী-মাঝারি ও ক্ষুদ্র আকারের ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন চালিত যানবাহনগুলো থেকে নির্গত কালো ধোয়া পরিবেশের মারাত্মক পর্যায়ের না হলেও কিছু হলেও বায়ুমন্ডলের ক্ষতি সাধন করে। এতে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অতি স্বল্প পরিমাণে কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাস নির্গত করে। যা কিনা হিসাবের ধর্তব্যের বর্হিভূত। তাছাড়াও পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭৫০ কোটির কাছাকাছি। সমগ্র মানুষের শ্বাস -নিঃশ্বাস ক্রিয়ার নিঃশ্বাসের মাধ্যমে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমন্ডলে গিয়ে ঠেকছে। উন্নত বিশ্বে বহু ধরনের ভারী ইন্ডাস্ট্রি রয়ে গেছে। তাদের ইন্ডাস্ট্রি কেমিক্যাল বর্জ্য তথা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস এবং স্বল্প পরিমাণে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস বায়ু মন্ডলে প্রবেশ করে ওজন স্তরের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয়। এতে করে বায়ুমন্ডলের ওজন স্তরের

গ্রীণ হাউজ এফেক্টের মতো প্রাকৃতিক ভারসাম্যতা বিনষ্ট করে। বেশ কয়েক বছর যাবত আমেরিকাতে কয়েকটি বনভ‚মিতে দাবদাহ’র ফলে অনেক প্রাকৃতিক গাছ-বৃক্ষ অগ্নিতে জ্বলে বিনষ্ট হয়েছে। তাছাড়াও আমাদের বাংলাদেশে কিছু বনদস্যু ব্যাবিচারে বেশকিছু বনভু‚মির গাছ-বৃক্ষ কেটে চোরাই ভাবে বিক্রি করেছিল বেশ কয়েক বছর পূর্বে। এতে করে পৃথিবীতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক গাছ-বৃক্ষের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন প্রয়োজনে বনজ কাষ্ঠল বৃক্ষ কাটা হচ্ছে। যতগুলো গাছ জাতীয় বনভূমিগুলো থেকে কর্তন করা হয়; সে-সকল স্থানে বন বিভাগের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম সংখ্যক বৃক্ষ রোপন নাও করা হতে পারে। আমাদের দেশের জনগণ তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে; যেমন- গৃহ নির্মাণ ও ফার্নিচার নির্মাণ করার কাজে প্রচুর কাষ্ঠল বৃক্ষ প্রতি বছরই কমবেশ কাটা হচ্ছে। এতে করে আমাদের বায়ুমন্ডলের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে বেড়ে যাচ্ছে; যা কিনা আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রার পথে হুমকির সম্মুখীন। যার ফলে জৈব বৈচিত্রের উপর ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এখন আমাদের প্রয়োজন আমাদের জৈব বৈচিত্রকে রক্ষা করতে এবং আমাদের মানব সমাজের জীবন ধারণের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে এবং আমাদের মানব সমাজের জীবন ধারণের জন্য যা অতীব প্রয়োজন; সে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাকৃতিক অক্সিজেন সরবরাহের জন্য কৃত্রিম বনায়ন সৃষ্টি করা। এমতাবস্থায় আমাদের প্রয়োজন হবে বেশি বেশি করে বৃক্ষের চারা রোপন করা সমগ্র বাংলাদেশের ভ‚মিতে। আমরা যদি উপক‚লীয় এলাকাগুলিতে নদী তীরে কাষ্ঠল বৃক্ষ প্রচুর পরিমাণে রোপন করে সবুজ বেষ্টনি তৈরি করতে পারি; এতে করে একদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যতা রক্ষা হচ্ছে। আমাদের বায়ুমন্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ হওয়ার সুনিশ্চিত ব্যবস্থা হয়। এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত বায়ু দূষণের কবল হতে আমরা আমাদের বায়ুমন্ডলের পরিবেশকে রক্ষা করতে পারি। আমরা আমাদের দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আঙ্গিনায় সুবিধাজনক খালি স্থানে প্রচুর কাষ্ঠল বৃক্ষ রোপন করতে পারি। তাছাড়াও বিভিন্ন সরকারি অফিস আদালতগুলোর চত্বরে যেখানে সরকারি খাস জমি অনাবাদি হিসেবে পড়ে থাকে সেসকল এলাকায় পরিকল্পনা করে ফলজ, ঔষধি, কাষ্ঠল বৃক্ষের চারা রোপন করা যেতে পারে। এক সময়ে দেখা যাবে যে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য যেমন রক্ষা পাবে; তেমনি মৌসুমী ফলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং আমাদের গৃহ নির্মাণ ও ফার্নিচারের প্রয়োজনীয় কাঠেরও সরবরাহ সহজভাবে হতে পারে। আর আমাদের জাতীয় বন বিভাগের বনভ‚মিতে যে-সকল বহু মূল্যমানের কাষ্ঠল বৃক্ষ গুলি রয়ে গেছে; বনদস্যুদের কবলে পড়ে বনভ‚মি উজার হয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যতা বিঘিœত হতো তার কু-প্রভাব থেকে পরিবেশ এবং পরিবেশের ভারসাম্যতা রক্ষা পাবে। আজকের মতো এখানেই শেষ করলাম; ভবিষ্যতে সময় ও সুযোগ হলে পরিবেশ দূষণের উপর সবিস্তৃত লেখার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।

এরশাদ মাহমুদ আনিস
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536