গৌরনদীতে সরকারি বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে থানা ও উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে

গৌরনদীতে সরকারি বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে থানা ও উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে

বি এম মনির হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ-

দেশের করোনায় আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা বাঁড়ার পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা তাই সরকার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশব্যাপী সপ্তাহব্যাপী সরকারি বিধি-নিষেধ (লক ডাউন) ঘোষণা করেন সরকার তারি ধারাবাহিকতায় আজ ১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও থনা প্রশাসন এর আয়োজনে গৌরনদী বাস্টার্ড চত্বরে করোনা মহামারী কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ প্রতিরোধে বরিশাল জেলার গৌরনদীতে ৭ দিনের বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস ও গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন এর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয় পাশাপাশি উপজেলা ব্যাপী মেবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মোঃ ফরহাদ সরদার,উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস,গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন,উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রিন্স, প্রতিদিন শিক্ষা পত্রিকার প্রকাশক, জবস টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, জবস টিভির গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃ মেহেদী হাসান, এস আই মোঃ শাহাবুদ্দিন, এস আই মোঃ নাসির উদ্দীন, মোঃ ফরিদ উদ্দিন, মোঃ শিপন হোসেন সহ অনেকে। উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লক ডাউন বাস্তবায়নে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536