সেনবাগে গাছের চাপায় ট্রাক্টর চালক নিহত!!!

সেনবাগে গাছের চাপায় ট্রাক্টর চালক নিহত!!!

এমডি ইলিয়াস সেনবাগ প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সেনবাগে গাছের নিচে চাপা পড়ে মোঃ ইব্রাহিম (৩৫) নামে এক পাওয়ার টিলার (হ্যান্ড ট্রাক্টর) চালক নিহত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার সময় সেনবাগ উপজেলার ৩নং ডমূরুয়া ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ইব্রাহিম উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আবুল খায়ের আর্মির বাড়ি থেকে বিক্রির জন্য কিছু গাছ ক্রয় করে। গাছ গুলো কেটে হ্যান্ড ট্রাক্টরে ওঠাতে গিয়ে অসাবধানতা বসত একটি গাছের গুড়ির নিছে চাপা পড়ে তার ঘাড় ভেঙ্গে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ইব্রাহিমের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বালিয়ারা গ্রামে। সে ওই গ্রামের ইমান আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন যাবত সে সেনবাগের ডমূরুয়া ইউপির তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা মোঃ সোলেমানের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা জানান এধরণের একটি দুর্ঘটনার সংবাদ জেনেছেন। বিষয়টি তাঁরা খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536