কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

মোঃসামছু উদ্দিন লিটন,বিশেষ প্রতিনিধি নোয়াখালী

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফের আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের সিরাজ মেম্বারের দোকানের সামনে কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামীলীগ বাদলের অনুসারীদের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭জন আহত হয়েছে।সংঘর্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের বাদল গ্রুপ অনুসারী রাজু (৩৫), সাহেদ (৩২), আবদুর রহিম (২৫)কে নোয়াখালী সদরের উডল্যান্ড প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জা অনুসারী কামাল (৪৫), রুবেল (২৫) পিটন (২২) সবুজ (৪০)কে স্থানীয হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ ছায়েদ একটি অস্ত্র মামলার তদন্তে চরএলাহী ঘাটে যায়। ওই সময় উপজেলা আওয়ামীলীগের অনুসারী স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাকের ভাই খোকনের সাথে কাদের মির্জা অনুসারী কামালের সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতিতে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ ঘঠণাস্থলে থেকে চলে এলে বাকবিতন্ডার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষে ঘটনায় ৭জন আহত হয়।স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, কাদের মির্জার অনুসারী হেলাল মেম্বার, বাহার, আনোয়ার, রাজ্জাকের নেতৃত্বে অসহায় তিনটি ছেলেকে একা পেয়ে বেধড়ক পিটিয়ে হা-পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা চরএলাহীতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোন সংঘর্ষে জড়ায়নি।
কাদের মির্জার অনুসারী হেলাল হোসেন মেম্বার বলেন, রাজ্জাক চেয়ারম্যানের ভাই খোকনের নেতৃত্বে তাদের ৪ অনুসারীকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এ সময় ফাঁকা গুলি ছোড়ার আওয়াজ পেয়ে আমরা কয়েকজন অনুসারীকে নিয়ে সংঘর্ষ এড়াতে বাড়িতে চলে যাই।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536