বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় নববধূর লাশ উদ্ধার

বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় নববধূর লাশ উদ্ধার

মোঃসামছু উদ্দিন লিটন,বিশেষ প্রতিনিধি নোয়াখালী

মেহেদি রং না মুছতেই বিয়ের মাত্র ১৫দিনের মাথায় লাশ হলো ফাতেমা বেগম (১৭) এক নববধূ। শনিবার (২৬জুন) বিকেলে সেনবাগ থানা পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমার স্বামী মোঃ শরীফ (২৫) কে আটক করেছে।

এরআগে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের মহিদীপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মেস্তুরী বাড়ির ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার নিজ কক্ষের গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মেহত্যা করে বলে প্রচার করে স্বামী মোঃ শরীফ। পরে ওই বাড়ির লোকজন ফাতেমাকে উদ্ধার করে সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

নিহত গৃহবধূর বাড়ির লক্ষীপুর সদরের চর রমনী গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে। গত ১৫দিন আগে একই এলাকার শরীফের সঙ্গে ফাতেমার বিবাহ হয়। শরীফ পেশায় একজন মাটি কাটার শ্রমিক

শনিবার (২৬জুন) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনবাগ থানা পুলিশ সেনবাগ ঊপজেলা সরকারি ৫০শয্যা হাসপাতাল থেকে মযনাতদন্তের জন্য নববধূর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুল বাতেন মৃধা লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লক্ষীপুরের চর রমনী গ্রামের মৃত আবদুল মালেকের মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে ১৫ দিন আগে একই এলাকার মোঃ শরীফের বিবাহ হয়। বিয়ের পর তারা সেনবাগ উপজেলার ৬নং কাবিলপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মহিদীপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম মেস্তুরী ঘরের ভাড়া বাসায় ওঠে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। ওই কলহের জেরে শনিবার বিকেলে নববধূ ফাতেমা ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার নিজ কক্ষের গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে বলে স্বামী শরীফ জানায়। পরে বাড়ির লোকজন থাকে উদ্ধার করে সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। পরে খবর পেয়ে সেনবাগ থানার এসআই আবদুল আউয়াল হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্তের জন্য গৃহবধূর ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী শরীফকে আটক করে। এঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536