বান্দরবানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র পক্ষথেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন লক্ষীপদ দাস

বান্দরবানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র পক্ষথেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন লক্ষীপদ দাস

ইসমাইল হোসেন সোহাগ, বিশেষ প্রতিনিধি

বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষথেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন, অসহায় পরিবারের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

২৫ জুন”২০২১ইং শুক্রবার সকালে বান্দরবানের টংকাবতী বাজার মাঠ প্রাঙ্গণে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য জনবান্ধব নেতা লক্ষীপদ দাস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সামাজিক দূরত্ব রেখে ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এরপর সুয়ালক ইউনিয়নের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রেইচা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও উপহার সামগ্রী বিতরণী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি লক্ষীপদ দাস বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয়ের নির্দেশে করোনা ভাইরাস শুরু থেকে বান্দরবানের ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীনদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষথেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এবারে সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ২ হাজার ১৬০টি পরিবারের মাঝেও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ জুন”২০২১ইং বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় দফায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা উপহার ক্ষতিগ্রস্ত ও কর্মহীনদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মহোদয় বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরী, ৩নং সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসাহ্লা মার্মা, সুয়ালক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মংক্যসিং মার্মা সহ আরও অনেকেই।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536