ধ্বংসের মুখে চিনা শহর তাইশান! লাখ লাখ মানুষের বিপদের আশঙ্কা!

ধ্বংসের মুখে চিনা শহর তাইশান! লাখ লাখ মানুষের বিপদের আশঙ্কা!

মহসিন মুন্সী, ব্যুরো চীফ।

আমেরিকা সহ প্রথম বিশ্বের একাধিক দেশ করোনা ভাইরাসের জন্য চিনকেই দায়ী করছে, তারা চিনকে ভিলেন মনে করে। কিন্তু এর মধ্যে সামনে এলো একটি চাঞ্চল্যকর খবর। মহা বিপর্যয়ের মুখোমুখি চিনা শহর তাইশান। এই শহরের পারমাণবিক প্ল্যান্ট থেকে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চিনের গুয়াংডং প্রদেশের তাইশানে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি। যদিও এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে চিন। এই চিনা পারমাণবিক সংস্থাটির অংশীদার হিসেবে রয়েছে ফরাসি সংস্থা ফ্রামাটোন। তারাই গোটা বিশ্বের সামনে এই বিকিরণের ঘটনা ফাঁস করেছে।
তাইশান শহরের জনসংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষের কাছাকাছি। যদি এই বিকিরণ নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে নিকট ভবিষ্যতে বড়সড় সমস্যার মুখে পড়তে পারে এই শহর। এমনকি গোটা শহরটি ধ্বংস ও হয়ে যেতে পারে।
চিনা এই পারমাণবিক প্ল্যান্টে ঠিক কী ঘটছে, তা জানতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে আমেরিকা। তবে রিপোর্ট মোতাবেক, লোকসানের ভয়ে এই প্ল্যান্টকে বন্ধ করতে রাজি না চিন। বেইজিং এর তরফে দাবি করা হয়েছে যে, তাইশানের পারমাণবিক প্ল্যান্টে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। প্ল্যান্টের আশেপাশে বিকিরণের মাত্রায় কোনও অস্বাভাবিকতা নেই এবং সুরক্ষা নিশ্চিত আছে বলে জানিয়েছে চিন।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে ফরাসি সংস্থার সঙ্গে এই পারমাণবিক প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল চিন। ২০১৮, ২০১৯ সাল থেকে এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি মারাত্মক বিপজ্জনক না হলেও, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার দিকে নজর রেখেছে আমেরিকা।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536