আশুগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সরকারী গাড়ী ব্যবহার করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চেম্বার

আশুগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সরকারী গাড়ী ব্যবহার করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চেম্বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে: হাসান জাবেদ
আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান চিকিৎসক নুপুর সাহা প্রায় অর্ধকোটি টাকা দামের সরকারী গাড়ী তার ব্যক্তিগত চালক দিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলা কিশোরগঞ্জে বেসরকারী হাসপাতালে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখতে যাওয়ার সময় অতপর সাংবাদিকে মুখোমুখী হয়ে প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়ে তিনি আঙুল তুলে দেকিয়ে বলেন, আপনে কয়জনের নামে নিউজ করবেন। ইউএনও এসিল্যান্ডসহ সারা বাংলাদেশের কর্মকর্তারাই তাদের ব্যক্তিগত সব কাজে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করেন।

কিন্তুু আমি ব্যক্তিগত কাজে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করি না। এমন কোনো প্রমাণ নেই। আর এ বিষয়ে আপনি যতই নিউজ করেন আমার কিছু হবে না। কারণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই নিউজ কানেই নেবে না বলে তার উপরমহলে ব্যাপক খুঁটির জোর রয়েছে। সেই ক্ষমতার জোরেই তিনি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন ধারার কারিশমা দেখান এই প্রতিবেদকে।

সম্প্রতি কয়েকদিন সরেজমিনে আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ঘুরে তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ডা.নুপুর সাহা) যোগদানের পর থেকে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন বেসরকারী হাসপাতাল বিসমিল্লাহ্‌ ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়মিত চিকিৎসক তিনি। দিনের বেশিরভাগ সময় চেম্বারে বসে যত্ন করে রোগীদের সেবা দেন এই কর্মকর্তা।

অনুসন্ধান আরো বলছে। প্রতি শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজ থেকে তার ব্যক্তিগত চালক দিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা দামের সরকারী গাড়ী বের করে চিকিৎসক নুপুর সাহা তরিঘরি করে গাড়িতে উঠে বেসরকারী হাসপাতালে প্রাইভেট চেম্বারে গিয়ে রোগী দেখার উদ্যেশে নানা কৌশলে বের হয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এসে আশুগঞ্জ ও ভৈরব সংযোগস্থল সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোল প্লাজার দিয়ে চিকিৎসক নুপুর সাহা ও সরকারী গাড়ীটি পার হওয়ার সময় এমন দৃশ্য ভিডিও ফুটেজ করে রাখা হয় যা সংরক্ষিত ভাবে রয়েছে এই প্রতিবেদকের কাছে।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু টোল প্লাজার পার হয়ে। তার নিজ বাড়ি কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি বেসরকারী মালিকানাধীন রেনেসাঁ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে স্ত্রী রোগ ও প্রসূতী বিদ্যা চিকিৎসক হিসাবে এখানে বিভিন্ন রোগী দেখতে আসেন এবং বিভিন্ন এলাকাও ঘুরে বেড়ান এই কর্মকর্তা।
যেখানে আশুগঞ্জ উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী উপজেলার আসা যাওয়ার দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার। এসব কারণে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করায় জ্বালানি তেল বেশি লাগছে। এতে বাড়তি তেলের খরচের টাকাও সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

রেনেসাঁ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তিনি সরকারী গাড়ী ও ব্যক্তিগত চালক সহ শনিবারে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যোগদান করেও রীতিমতো কর্মস্থলে আসেন না, মাঝেমধ্যে আসলেও বেলা ১১ টায় এসে ১২টায় প্রস্থান করেন। একাধিকবার স্থানীয় সাংবাদিকরা বিভিন্ন তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েও উনাকে না পেয়ে ফেরত আসতে হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ অফিস সুত্র জানায়। সরকারের পক্ষ থেকে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনাকালীন সংকট মোকাবিলায় সরকারী কাজে ব্যবহারের জন্য কালো রঙের উন্নতমানের একটি গাড়ী দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। যেখানে নির্দেশনা রয়েছে সরকারি কাজ ছাড়া উপজেলার বাইরে গাড়ি নিয়ে যেতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সংশ্লিষ্ট কারণ থাকতে হবে। এই গাড়ি নিয়ে কর্মরত উপজেলার বাইরে যাওয়ার সরকারি গাড়ির অপব্যবহার ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মন্ত্রণালয়ের।

আশুগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতি শুক্রবার সকালে চিকিৎসক নুপুর সাহার বাসার সামনে একটি কালো রঙের সরকারি গাড়ী দেখা যায় নিজ বাড়ী থেকে অন্যান্য এলাকায়ও যেতে দেখি। তবে সরকারী গাড়ী ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে জানান আশুগঞ্জ উপজেলাবাসী।

এ বিষয়ে সরকারী গাড়ী নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় রোগী দেখার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.নুপুর সাহা বলেন, “আমি প্রতি শুক্রবারে কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী উপজেলায় বেসরকারী প্রাইভেট চেম্বারে আসি রোগী দেখান জন্য। যেখানে নির্দেশনা রয়েছে সরকারি কাজ ছাড়া উপজেলার বাইরে গাড়ি নিয়ে যেতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা সংশ্লিষ্ট কারণ থাকতে হবে।
এপ্রশ্নের জবাবে তিনি রেগে গিয়ে আমাকে পাল্টা জবাব দেন, “প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়ে তিনি আঙুল তুলে বলেন, আপনে কয়জনের নামে নিউজ করবেন। আশুগঞ্জ উপজেলা ইউএনও এসিল্যান্ডসহ সারা বাংলাদেশের পথেক কর্মকর্তারাই তাদের ব্যক্তিগত সব কাজেই সরকারী গাড়ী ব্যবহার করেন। কিন্তুু আমি ব্যক্তিগত কাজে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করি না। এমন কোনো প্রমাণ নেই। আর এ বিষয়ে আপনি যতই নিউজ করেন আমার কিছু হবে না। কারণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই নিউজ কানেই নেবে না

কানণ আমি একজন সহজ-সরল মানুষ হওয়ায় কিছু দুর্বলতাও আছে আমার, তা স্বীকার করি। এ কারণে কোনো স্টাফ যদি অপরাধ করে তাহলে অ্যাকশনে যেতে পারি না। সতর্ক করে দেই। হয়তো এ কারণে অনেকেই অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। কিন্তু আমি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি করি না।

এ বিষয় যানতে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরবিন্দ বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান, “বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি ব্যক্তিগত কাজে ওই চিকিৎসক সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। তাহলে তার বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যবস্থা নেবে।

তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তিনি বলেন, “সরকারী কাজ ব্যথিত কোন ক্রমেই তার নির্ধারিত এলাকা ছাড়া অন্য এলাকায় গিয়ে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করে প্রাইভেট চেম্বার করতে পারেন না। আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চাইলেই তার ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

ন‌ওগাঁর আত্রাইয়ে রবীন্দ্র কাচারি বাড়ি পতিসরে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৬১তম রবীন্দ্র জন্মোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “মানবতার সংকট ও রবীন্দ্রনাথ”। আজ রবিবার (৮ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ খালিদ মেহেদী হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জনাব মোঃ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি ( ন‌ওগাঁ-২), জনাব মোঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক এমপি ( ন‌ওগাঁ-৪), জনাব মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার এমপি ( ন‌ওগাঁ-৩), জনাব মোঃ নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) এমপি ( ন‌ওগাঁ-৫), জনাব মোঃ আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি ( ন‌ওগাঁ-৬), জনাব মনিরুল আলম, অতিরিক্ত সচিব সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জনাব আব্দুল মান্নান মিয়া, বিপিএম পুলিশ সুপার ন‌ওগাঁ জেলা, জনাব মোঃ আব্দুল মালেক, সভাপতি ন‌ওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগ, এ্যাডভোকেট একেএম ফজলে রাব্বী বকু, প্রশাসক জেলাপরিষদ, ন‌ওগাঁ।

স্বাগতবক্তব্য দেন, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

আলোচকবৃন্দ, অধ্যক্ষ (অব:) রাজশাহী কলেজ, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল ইসলাম , সাবেক সভাপতি বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর ড. পি এম সফিকুল ইসলাম ,
পরিচালক বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, রাজশাহী, প্রফেসর ড. আলী রেজা আব্দুল মজিদ , সহযোগী অধ্যাপক বাংলা বিভাগ, ন‌ওগাঁ সরকারি কলেজ,
ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম।

আরও উপস্থিত ছিলেন, আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব এবাদুর রহমান প্রামানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ( পুরুষ) হাফিজুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ( মহিলা) মমতাজ বেগম, আত্রাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা, ন‌ওগাঁ থেকে আগত ও আত্রাইয়ের সকল সাংবাদিকবৃন্দ, আগত দর্শনার্থীসহ এলাকাবাসী।

সামসুজ্জামান সেন্টু
আত্রাই উপজেলা প্রতিনিধি
তারিখঃ- ০৮/০৫/২০২২ ইং

ন‌ওগাঁর আত্রাইয়ে ১৬১ তম রবীন্দ্র জন্মোৎসব পালিত

themesbazartvsite-01713478536