নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর ইউনিয়নে এক বছর আগে মৃত ব্যক্তির নামে ভিজিডির চাউল।

নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর ইউনিয়নে এক বছর আগে মৃত ব্যক্তির নামে ভিজিডির চাউল।

নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর ইউনিয়নে এক বছর আগে মৃত ব্যক্তির নামে ভিজিডির চাউল সুবিধা ভোগ করছে মৃত ব্যাক্তির পরিবার!!

বাগাতিপাড়া প্রতিবেদকঃ-
নাটোরের বাগাতিপাড়া জামনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাঁশবাড়িয়া,জালালপুর গ্রামের মোঃ সাজদার আলী’ সহধর্মী মৃতঃ-জোসনা খাতুন, গত রমজান মাসের পনের দিন আগে তিনি মারা যায়।

মৃতঃজোসনা খাতুনের নামে জামনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃআমিনুল ইসলাম, এ ভিজি ডি,কার্ড করে দেন, জোসনা খাতুন লিভার জন্ডিস ও আলসার রোগে দৃীর্ঘদিন ভুগছিলেন।

এক বছর আগে মারা যান জোসনা খাতুন তার নামের ভিজিডি কার্ড নিয়ে মৃতঃ- জোসনা বেগমের স্বামীঃ-মোঃসাজদার আলী বিগত এক বছর
ধরে জামনগর ইউনিয়ন পরিষদ হতে ৩০কেজি করে চউল নিয়ে সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

জামনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম কে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তিনি কবে কখন কিভাবে মারা গিয়েছিল আমার জানা নেই তবে সমস্যা কি? তার পরিবার তো সুবিধা ভোগ করছেন।

ওই ওয়ার্ড সদস্য কাছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, মৃত জোসনা খাতুন যে মার গিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য দিয়েছেন? জবাবে তিনি বলেন না এটা আমার কাজ না আমি কিছু জানিনা আপনি যা ভালো হয় করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এলাকার লোকজন বলেন এরকম হওয়াটা স্বাভাবিক আমরা দেখি সরকারি বরাদ্দের চাউল গুলো এলাকার চার্জার চলিত ভ্যান এসে ১০ বস্তা, ৫ বস্তা করে নিয়ে যায়, আসলে কার্ডধারি ব্যাক্তি পাই, না অন্য কেউ পাই, না মৃত ব্যাক্তি পাই, বোঝা মুসকিল। তবে আমাদের দাবি দেশ নেত্রী মানষ কন্য শেখ হাসিনা’র কাছে এটা ভালো ভাবে বন্টন হয় তার সু দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে জামনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বলেন,জালালপুরের জোসনা খাতুন যে মারা গিয়েছে এটা আমার জানা নাই, তবে কোন কার্ড ধারি ব্যাক্তি মারা গেলে যে ওয়ার্ডে মারা গিয়েছে সেই ওয়ার্ডের প্রথমে গ্রাম পুলিশের দ্বায়িত্ব, ইউনিয়ন পরিষদ কে অবহিত করা, এবং যে ইউপি সদস্য তার।
তিনি আরও বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো কি করা যায়,তবে এটা ভুল করেছে তারা তথ্য না দিয়ে।

বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রয়াংকা দেবী পাল বলেন,মৃত ব্যাক্তির নামে এভাবে সরকারি সুবিধা ভোগ করা ঠিক না।

কার্ডধারি কেউ মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারের দ্বায়িত্ব ইউনিয়ন পরিষদ কে অবহিত করা এবং গ্রাম পুলিশ ও ইউপি সদস্য উচিত ছিল জানানো, তবে কেউ যদি মারা যায় তাহলে আমরা দেখবো সেই পরিবারে এই সুবিধা ভোগ করার কেউ থেকে থাকে তাকে দওয়া যাবে, কিন্তু মৃত ব্যাক্তির নামে কেউ এক বছর ধরে সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিষয় টা ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536