প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে প্রাণ গেলো প্রেমিকের।

প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে প্রাণ গেলো প্রেমিকের।

অন্তর আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে প্রেমিকার বন্ধুদের র্যা গিং-এ প্রাণ গেলো নওগাঁ সদর উপজেলায় মুরাদপুর গ্রামের হামিম হোসেনের। র্যা গিং এর পর গুরুতর অবস্থায় তারায় নিয়ে আসেন জেলা সদর হাসপাতালে। এর পর হামিমের ফোন থেকেই আত্মীয়দের জানিয়ে দেয়া হয় হামিমের গুরুতর আহতের খবর। তার পর হামিমকে ভর্তি না করেই হাসপাতালে রেখে চলে যান তারা। এবং নিজেদের ফেসবুকে হামিমের নির্যাতনের ছবি আপলোড করেন। এ বিষয়ে হামিমের বাবা বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করলে পুলিশ একজনকে আটক করেন।

হামিম হোসেন (২০) নওগাঁ সদর উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। রাজশাহী কলেজের এইস এস সি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। থাকতেন রাজশাহীতেই। বাড়িতে আসার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারী প্রেমিকার সাথে দেখা করতে আসেন নওগাঁ সদরে। এসময় ওই প্রেমিকার তিন বন্ধু নওগাঁ মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মোজাম্মেল হক এর ছেলে আসিফ হোসেন সজল (২৯),নওগাঁ শহারের দয়ালের মোড়ের মামুনুর রশিদের ছেলে সুরুজ (২৬) ও নওগাঁ শহারের দয়ালের মোড়ের মতিউর রহমানের ছেলে প্রান্ত (২৭)সহ ৪-৫ জন হামিমের উপর র্যা গিং চালায়। এক পর্যায়ে হামিমের উপর চালানো হয় নির্যাতন এর হামিম মারাত্মক আহত হলে নির্যাতনকারীরায় তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এর পর হামিমের ফোন থেকেই আত্মীয়দের জানিয়ে দেয়া হয় হামিমের গুরুতর আহতের খবর। তার পর হামিমকে ভর্তি না করেই হাসপাতালে রেখে চলে যান তারা। এবং নিজেদের ফেসবুকে হামিমের নির্যাতনের ছবি আপলোড করেন।

হামিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ওই দিনই রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাতে (১১ ফেব্রুয়ারী) হামিমের মৃত্যু হয়।

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন মা-বাবা। এর পরও কষ্টে ভড়া কন্ঠে বিচার চান দোষীদের। আর হামিমের মা ভেনি আকতার এক বারের জন্য দেখতে চান প্রিয় সন্তানের হত্যাকারিদেরকে। তাদের কাছে জানতে চান কোন অপরাধে হত্যা করা হলো তার একমাত্র সন্তানকে। আর হামিমের বাবা শাহাদত হোসন বলেন তাদের মতো যেনো আর কোন বাবা মার কোল খালি না হয়। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জাবি জানান তিনি।

নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, এজাহার ভুক্ত ১ নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাঁকি আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়ে জোড় তৎপরা চলছে। তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536