ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়টি রহস্য জনক ধোঁয়াশা কাটছে না ।

ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়টি রহস্য জনক ধোঁয়াশা কাটছে না ।

হরিনগর কাঁকড়া ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়টি রহস্য জনক ধোঁয়াশা কাটছে না ।

জি এম মাছুম বিল্লাহ শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগন্জ হরিনগরে কাঁকড়া সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রবিন সানার কাছ থেকে পুলিশ পরিচয়ে তিনলাখ টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়টি রহস্য জনক বলে মনে করছে স্থানীয় বাজার ব্যাবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্থির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষরা।অনেকেই মনে করেন ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষ হিসাবে শাহআলম ও তার সহযোগীকে ফাঁসানোর জন্য এ নাটক সাজানো হয়েছে।

সমবয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানর পাঁচ হাজার টাকার বেশি না রাখার নিদেশনা থাকলেও সে নিয়ম বহির্ভুত ভাবে অফিস হিসাবে ব্যাবহারিত কাঁকড়া ঘরে তিন লক্ষ টাকা রাখার বিষয় টি সন্দেহের। শনিবার রাতে টাকা ছিনতাইয়ের পর রবিন সানা বলেন, তিন লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়েছে কিন্তু তথ্য অনুসন্ধানে তার ব্যাগের ভিতর কত টাকা ছিল সেটা বলতে পারে না।

স্থানীয়দের অনেকেরই ধারণা বর্তমানে কাঁকড়া বন্ধের মৌসুমী চলছে এবং শনিবার ব্যাংক বন্ধ কিভাবে এত টাকা তার কাছে থাকে? যে স্থানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে সেখানে অনেক বাড়ি ঘর থাকলেও রবিন সানার চিৎকার করলেও কোন লোক আসনি তার সহযোগীতায়। ওখান থেকে হরিনগর বাজারে এসে ছিনতাইয়ের ঘটনার কথা বলে রবিন সানা বিষয়টিও রহস্য জনক।

স্থানীয় মাসুদ করিম বলেন, শাহআলম ভালো মানুষ ব্যাবসায়ী প্রতিপক্ষ হিসাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আব্দুল করিম তুফান বলেন, শাহআলম কে ফাঁসানোর জন্য টাকা ছিনতায়ইয়ের নাটক সাজানো হয়েছে। শাহআলমের পরিবারের দাবি, ব্যাবসায়ী প্রতিপক্ষ হিসাবে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। হরিনগর অধিকাংশ কাঁকড়া ব্যাবসায়ীরা বলেন, শাহআলমের মত একটা লোক পাওয়া যায় না। সে এধারণের কাজ করতে পারে না।

টাকা ছিনতাইয়ের বিষয় বলেন, আমরা কি বলবো যার কাছ থেকে টাকা ছিনতাই হয়েছে সে বলতে পারবে টাকা কি হয়েছে। প্রসঙ্গত মুন্সিগ‌ঞ্জের হরিনগর বাজারে এক কাঁকড়া ব্যবসায়ীর কাছ থেকে শ‌নিবার রাত ১০ টায় হরিনগর কৃষ্ণ মন্দিরের পাশে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের ছিনতাই‌য়ের ঘটনা ঘ‌টে।

ছিনতাই‌য়ের শিকার রবীন সানা বলেন, একটি মোটরসাইকেলে আসা ব্য‌ক্তিরা মন্দিরের সামনে এসে আমাকে দেখে দাঁড়াতে বলে পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেয়। এ সময় তারা জান‌তে চাই হুমায়ুন না‌মে কাউ‌কে চি‌নি কিনা?
রবিন তাকে চেনে না এমন উত্তর দি‌লে তার হাতের ব্যাগ এর মধ্যে কি আছে জিজ্ঞাসা করে ছিনতাইকারীরা।

একপর্যায়ে তারা টানা হ্যাঁচড়া করতে করতে তিন লক্ষ টাকাসহ ব্যাগ‌টি নিয়ে চলে যায়। রবীন সানার ভাষ্যমতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দাতিনাখালির গ্রামের কাঁকড়া ব্যাবসায়ী শাহ আলম ও মুন্সীগঞ্জ গ্রামের দোলনের ছেলে আলামিন হোসেন নামের দুজন কে আটক করে। রবিবার বেলা ১২ টার দিকে ঐ দুজনকে আসামী ও তিন জনকে অজ্ঞত নামা করে শ্যামনগর থানায় নিয়মিত মামলা করে যার নাম্বার ১১।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক কৃত দের জেলে পাঠানো হয়। জেল থেকে মুক্তি পেয়ে আসা শাহআলম বলেন, আমি ও আমার বন্ধুকে প্রতিদিনের ন্যায় ব্যাবসায়ী কাজে হরিনগর বাজারে যাই। কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে আসি পরে আমাকে ডেকে নিয়ে ব্যাবসায়ী প্রতিপক্ষ হিসাবে ফাঁসানো হয়েছে। আমি এধারনের কাজের সাথে জড়িত না। আমার নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এর সঠিক বিচার চাই।

টাকা ছিনতাইয়ের বিষয় রবিন সানা বলেন, শাহআলমের সাথে ব্যাবসায়ী কেন্দ্রিক অনেক প্রতিপক্ষ আছে কিন্তু আমি টাকা ছিনতাইয়ের সময় শাহআলমের গাড়ির মত একটা গাড়ি দেখে ছিলাম তাই পুলিশ কে বলেছি শাহআলমের দোষ দেওয়া হয়নি।

মামলা তদন্তকারি কমকতা এস আই খবির উদ্দীন বলেন, সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য আমরা কাজ করতেছি এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধী কে খুঁজে বের করা হবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536