মিয়ানমার কে ভারতের সাবমেরিন দান।

মিয়ানমার কে ভারতের সাবমেরিন দান।

মহসিন মুন্সী, বিশেষ প্রতিনিধি:

মিয়ানমারকে সাবমেরিন দিয়েছে ভারত।এতে করে কি ভারত প্রমান করলো যে তারা বাংলাদেশের জণগনের বন্ধু নয়?

রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যখন মিয়ানমারের পক্ষ ত্যাগ করা সেনারা জবানবন্দি দিচ্ছে ঠিক সেই মুহুর্তে বাংলাদেশ সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করল মিয়ানমারের সামরিক জান্তারা। আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে আমাদের সীমান্তের অন্তত তিনটি পয়েন্টে মিয়ানমার সৈন্য সমাবেশ করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করার দুঃসাহস দেখালো। কিন্তু তখন আমাদের তথাকথিত ‘বন্ধু রাষ্ট্র’ ভারত ছিল সম্পুর্ন নিরব! ঢাকায় যখন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানানো হয়েছিল তখনও আমাদের ‘স্বামী স্ত্রী সম্পর্কের স্বীকৃতি প্রাপ্ত বন্ধু রাষ্ট্র’ ভারত ছিল সম্পুর্ন নিরব!

এতদিন ধরে মিয়ানমার আমাদের সীমান্তে চোখ রাঙালেও সামরিক শক্তির বিচারে তারা ছিল আমাদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। কারন আমাদের কাছে রয়েছে চাইনিজ টাইপ ০৩৫ জি মিং-শ্রেণির দুইটি সাবমেরিন। তাই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পেরে উঠতে নিজেদের নৌ-সক্ষমতা বাড়াতে সাবমেরিন সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে দেয় মিয়ানমারের জান্তা। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার কারনে আন্তর্জাতিক বিশ্বের কেউই মিয়ানমারের পাশে দাঁড়ায়নি। এমনকি তাদের বন্ধু রাষ্ট্র চীনকে পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাশে পায়নি। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাংলাদেশের সবচাইতে ‘পরীক্ষিত অকৃতিম বন্ধু রাষ্ট্র’ ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিয়ানমারকে সাবমেরিন দিয়ে প্রমান করলো, ভারত কখনই বাংলাদেশের জণগনের বন্ধু নয়।
রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভাল বন্ধু ভারত কখনোই বাংলাদেশের পাশে দাড়ায়নি। বরং সুযোগ পেলেই বিপক্ষে কাজ করেছে যার সর্বশেষ উদাহরণ মায়ানমার কে সাবমেরিন দান।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536