জাফলংয়ে মাদক বিরুধী আলোচনা সভায় বুঙ্গাড়ীদের মদদ দাতাকে সংবর্ধনা প্রধান!

জাফলংয়ে মাদক বিরুধী আলোচনা সভায় বুঙ্গাড়ীদের মদদ দাতাকে সংবর্ধনা প্রধান!


স্টাফ রিপোর্টার সিলেট থেকে:
সিলেটের গো,য়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে মাদক বিরুধী আলোচনা সভায় চোরাচালানকারীদের মদদ দাতা রাশেদ আলম রাজ্জাককে সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রধান করা হয়েছে। গত শনিবার জাফলংয়ে একটি মাদক বিরুধী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় চোরাচালানকারীদের মদদ দাতা গোয়াইনঘাট টাইমস এর সম্পাদক, দৈনিক নবচেতনা, বিডি সিলেট নউজ ডট কম, ঢাকা প্রতিদিন এর গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি চোরাচালানকারীদের মদদ দাতা রাশেদ আলম রাজ্জাককে সংবর্ধনা প্রধান করায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় বিরাজ করছে।
জাফলং ট্যুরিষ্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি রতন শেখ তিনি নিজেই চোরাচালানকারীদের মদদ দাতা রাশেদ আলম রাজ্জাকের হাতে এই সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রধান করেন।

জাফলং ট্যুরিষ্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি রতন শেখ। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে একটি পোষ্ট করেন। ওসি রতন শেখের ফেসবুক পোষ্ট পাঠকদের জন্য হুবহু তোলে ধরা হলো ‘ বাংলাদেশ সম্পদ, মটরশুঁটি ভারতে পাচারের দৃশ্য এটি। ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের দিয়ে এই ভয়ানক কাজে লাগানো হয়েছে। জাফলং জিরো পয়েন্ট দিয়ে গভীর রাতের অন্ধকারে উৎসব করে ভারতে বাংলাদেশের মটরশুটি পাচার হচ্ছে। পর্যটকদের ওঠানামার রাস্তা ব্যবহার হচ্ছে রাত্রে পাচার কাজে। স্থানীয় ভাবে জানা যায়, এর নেতৃত্বে আছেন জনৈক নুরু, খালেক, শহীদ গং,,, আটকে সহায়তা করুনঃ’

কিন্তু ওসি রতন শেখ কি ভাবে চোরাচালানকারীদের মদদ দাতার হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তোলে দিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় জাফলং এলাকায় নানাবিধ আলোচনা-সমালোচনা শরু হয়েছে।
রাজ্জাকের মতো লোকের জন্য সাংবাদিকতা আজ ধ্বংসের পথে। সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে প্রকৃত সাংবাদিকদের। যারাই জন্ম নিচ্ছেন তাদের মূল লক্ষ হচ্ছে এই পরিচয় দিয়ে জাফলংয়ের বুঙ্গা ও পাথর থেকে অবৈধ ভাবে চাঁদাবাজি করা। এরকম এমন এক নামধারী সংবাদকর্মীর জাফলংয়ে জন্ম হয়েছে যার নাম রাশেদ আলম রাজ্জাক।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন গোয়াইনঘাট উপজেলার সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাফলং শাখা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব সংসদ বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখা। এই সকল দোকানধারী নিয়ে জাফলং এলাকায় তিনি বেপরোয়া চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব পত্রিকা ও সংগঠনের পরিচয় দিয়ে বুঙ্গাড়ী ও তাদের লাইনম্যানদের নেতৃত্ব দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা।

ওই নামধারী সংবাদকর্মীর কোন কাজ কর্ম না থাকলে কি? তিনি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বুঙ্গার লাইনম্যানদের সাথে ঘোরাফেরা করা। বিনিময়ে লাইনম্যানরা তাকে প্রতিদিন একটা অংশ দিয়ে থাকেন। তার নেতৃত্ব পেয়ে লাইনম্যনরা বেপরোয়া ভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বুঙ্গার মাল পাচার করছে। দিনের বেলা ভারত থেকে দেশে আসছে কসমেটিকস, সেন্ট ও যৌন উত্তেজক ঔষধ। আর এই সকল পণ্য বিক্রি হচ্ছে পিকনিক সেন্টারের দোোন গুলোতে। কিন্তু এই দোকান গুলোতে রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের কোন ধরণের অভিযান হচ্ছে না।
এই নামধারী সাংবাদিক ও ভারতীয় চোরাচালান বন্ধের প্রশাসনের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন জাফলংয়ের সচেতন মহল।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536