মহেশপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ।

মহেশপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ।

মহেশপুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

পুলিশের মহাপরিচালকের নির্দেশ মোতাবেক বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী কে যখন একটি শৃঙ্খল বাহিনীতে রুপান্ত্রিত করে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হয়ে মহেশপুর থানা পুলিশ সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এই সময়ে একটি কুচক্রি মহল পুলিশের সুনাম খুন্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছে। পুলিশ যাতে আগের রুপে ফিরে যায় সেই চেষ্টা করে তাদের কে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে পুলিশের ভাব মুর্তি খুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তারই অংশ হিসাবে ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার দত্তনগর পুলিশের এক এস আই এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। সংবাদে লেখা যে ভুক্তভোগীকে এক লক্ষ টাকার ঘুষ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তিনি এই দাবী কে মিথ্যা বলেছেন। মোস্তাফাকামাল বলেন যে টাকা ঘুষ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাহা সত্য না।
যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে সেই এস আই শহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি টাকা নেব কেন টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমার কাছে মাননীয় আদালত থেকে তিনটি মামলার নথি আসে । সেখানে দুইটি মামলায় মোস্তাফা কামাল জামিন হয় ও একটি মামলায় আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করে। আমি রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করি । এ ছাড়া ২৯.৯.২০ তারিখে উপজেলার শাহাবাজ পুর গ্রামের শৈলন দাস আদালতে একটি মামলা করলে দুই পক্ষ কে নোটিশ জারি করে এবং আমাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলে আমার যেদিন প্রতিবেদন দাখিল করার দিন তার আগের দিন আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ ছাড়াও একটি সার্চ ওয়ারেন্ট আছে আমি যাহাতে এই কাজ গুলি না করি সেই জন্যই আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। আপনারা তদন্ত করলেই সব বেরিয়ে আসবে।
স্বরুপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, মোস্তাফা কামালের মুখে কোন লাইসেন্স নেই। সে সবাইকে টাকা নেওয়ার কথা বলে । তিনি একটি মিথ্যাবাদী লোক। তার স্বার্থে আঘাত লাগলেই তিনি সবাইকে ফাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এস আইয়ের টাকা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার এলাকায় এই দত্তনগর পুলিশ ফাঁড়ি। এই এস আই শহিদুর রহমান ৬/৭মাস আগে এসেছে । আমার জানা মতে সে কোন টাকা পয়সা খায় না। এবং ইউনিয়নের কেউ প্রমান করতে পারবে না যে সে কারো কাছ থেকে একটি টাকা ধরেছে।
এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, মোস্তাফা কামাল ছিলো আদালতের আদেশে রিমান্ডের আসামী । আমারা রিমান্ডের আসামী কে কোন নির্যাতন করি না মনস্তাতিক ভাবে তাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আমার যে এস আই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে আমি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। আমার জানামতে সে ভালো এবং ভদ্র ছেলে। পুলিশের নাম করে যে এ্যাডভোকেট টাকা নিয়েছে তাকে আমি বলেছি আপনী পুলিশের নামে টাকা নিয়েছেন কেন। সে বলেছে পুলিশের নামে কোন টাকা নেয়নি পুলিশ ও কোন টাকা গ্রহন করেনি। আসামী জামিনের জন্য টাকা নিয়েছে। তিনি বলেন পুলিশের সুনাম খুন্ন করার জন্য এই মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536