মেয়াদ উত্তীর্ণ, অনুমোদনহীন ভেজাল ও মেয়াদ মূল্য বিহীন শিশু খাদ্য বিক্রয়ের অপরাধে জরিমানা আদায়ঃ

মেয়াদ উত্তীর্ণ, অনুমোদনহীন ভেজাল ও মেয়াদ মূল্য বিহীন শিশু খাদ্য বিক্রয়ের অপরাধে জরিমানা আদায়ঃ

মো, রাশেদুল ইসলাম( রাশেদ)
বিশেষ প্রতিনিধি,

আজ ২৮/০৯/২০২০ইং তারিখ রোজ সোমবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের শ্রদ্ধেয় মহাপরিচালক মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনা এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়, চুয়াডাঙ্গা এর তত্ত্বাবধানে চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব সজল আহম্মেদ এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার ফেরীঘাট রোড বড়বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ফেরীঘাট রোডে মেসার্স জনি স্টোর কর্তৃক মেয়াদ উত্তীর্ণ, অনুমোদনহীন এবং মেয়াদ মুল্য বিহীন শিশু খাদ্য বাজারে সরবরাহ করার সময় অভিযান টিমের কাছে হাতেনাতে ধৃত হয়। পরবর্তীতে তাদের গুদাম তল্লাশি করে আরও বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ভেজাল শিশু খাদ্য জব্দ করা হয়। এসব ভেজাল ও খাবারের প্যাকেটে শিশু প্রলুব্ধকারী খেলনা দেয়া অস্বাস্থ্যকর জিনিস খেয়ে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে। ব্যবসায়ীক লাভের কাছে আজ তাদের বিবেক বর্জিত। উক্ত অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭,৫১ ধারায় ১,০০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে আর এধরণের কাজ যেন না করে সে ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। এসময় জব্দকৃত আরও প্রায় লক্ষাধিক টাকার খারাপ পণ্য জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

পরবর্তীতে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয় এবং সবাইকে মুল্যতালিকা প্রদর্শন ও ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে বলা হয় এবং উপস্থিত জনসাধারণকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। সকাল ৯.৩০ টা থেকে দুপুর ১.০০টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।

জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536