চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিতঃ

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিতঃ

মো: রাশেদুল ইসলাম (রাশেদ)
বিশেষ প্রতিনিধি,

আজ ১৯/০৯/২০২০ইং রোজ শনিবার
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সকাল সাড়ে ৯টার সময় পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে সেপ্টেম্বর/২০২০ মাসের কল্যাণ সভা এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় আগস্ট/২০২০ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কুমার দাসসহ অন্যান্য পুলিশ অফিসার।

সভায় জেলার শ্রেষ্ঠ পারফরমেন্স কারীদের ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদানসহ অফিসারদের দৈনন্দিন কাজের নোট রাখার জন্য দৃষ্টিনন্দন ডায়েরি উপহার প্রদান করেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। এছাড়া গত মাসের সভায় উপস্থাপিত সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

এ সময় যানবাহনের স্বল্পতার চাহিদার প্রেক্ষিতে, জরুরী ডিউটি সেবা ও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর নিমিত্তে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা ও আলমডাঙ্গা থানায় দুটি পিকআপ ভ্যান সরবরাহ করেন পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম।

সংবাদ শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার সিলেট:
সিলেট এমসি কলেজ মুরালিচাঁদ ছাত্রাবাসে তরুণী গণধর্ষণের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামী মো. সাইফুর রহমান ও চার নম্বর আসামী অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভি‌ত্তি‌তে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হ‌য়ে‌ছে। তা‌কে সি‌লেট পু‌লি‌শের কা‌ছে হস্তান্ত‌রের প্রক্রিয়া চল‌ছে।’ পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়াবাই খেয়াঘাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে যাচ্ছিল। রোববার সকালে পুলিশের বিশেষ শাখার একটি দল ছাতক থেকে সাইফুরকে গ্রেপ্তার করে। প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে মামলার চার নম্বর আসামী অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম দস্তগির ।
এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উপজেলার সীমান্তবর্তী মনতলা এলাকার দূর্লভ পুর গ্রাম থেকে সিলেটের একদল ডিবি পুলিশ অর্জুনকে গ্রেপ্তার করে। এরপরই তাকে সিলেট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার

২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৬/৭ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।

ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণ: দুই আসামী গ্রেপ্তার ২৭:সেপ্টেম্বর:২০২০:

themesbazartvsite-01713478536