“আগৈলঝাড়ায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কর্নধর বৈষ্ণবের বিরুদ্ধে মামলা”

“আগৈলঝাড়ায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কর্নধর বৈষ্ণবের বিরুদ্ধে মামলা”

বি এম মনির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ-

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রাজিহার গ্রামের এক কলেজ ছাত্রী(বরিশাল বি, এম,কলেজে ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী) ছাত্রী ও কর্নধর বৈষ্ণবের বাড়ী একই এলাকায় কাছাকাছি, কর্নধর বৈষ্ণব প্রায় এক বছর পূর্বে থেকে বিভিন্ন সময়ে পথে ঘাটে উত্যক্ত সহ প্রেম নিবেদন করে।কলেজ ছাত্রী প্রেম নিবেদনে রাজি না হওয়ায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় এই ভাবে দীর্ঘদিন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলে একপর্যায়ে কর্নধর বৈষ্ণবের প্রস্তাবে রাজি হয় সেই সুযোগে কর্নধর বৈষ্ণব বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন মিলন করে। এভাবে কর্নধর বৈষ্ণব কলেজ ছাত্রীর সরলতার সুযোগে অবৈধ যৌন মিলন সম্পাদন করে, কর্নধর বৈষ্ণবকে বিয়ের কথা বলিলে সে নানা অজুহাতে আজকাল করিয়া সমায় ক্ষেপণ করিতে থাকিয়া কলেজ ছাত্রীর সাথে যৌন মিলন করে। প্রকাশ থাকে যে (২)সজল সরকার,(৩)সমিরন বৈষ্ণব,(৪)কানাইলাল বৈষ্ণব এরা পূর্ব থেকেই জানতেন এবং কর্নধর বৈষ্ণবকে সহায়তা করিত।
সর্বশেষ গত ১৩ আগষ্ট ২০২০ রোজ বৃহস্পতিবার রাত ১০ ঘটিকায় জোর পূর্বক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার ঘরে পিছনে নিয়ে ধর্ষন করে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামের কানাই লাল বৈষ্ণবের ছেলে কর্নধর বৈষ্ণব। এর পরে বিয়ের জন্য কর্নধর বৈষ্ণবকে চাপ প্রয়োগ করলে সে তালবাহানা শুরু করতে থাকেন। এঘটনা তার পরিবারকে জানালে তারা ওই কলেজ ছাত্রীকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এঘটনায় ওই ধর্ষিতা বাদী হয়ে গত ২৩ আগষ্ট বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এস আই আব্বাস উদ্দিন জানান, আদালতের মামলার কাগজ পেয়েছি। মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাকাল ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়াড মেম্বার রমেশচন্দ্র সাংবাদিকদের বলেন এবিষয় নিয়ে কয়েকবার সমাজতার চেস্টা করেছি। ছেলের বাবা কানাইলাল বৈষ্ণব বলেন আমি মেয়ের বাবার কাছে গিয়ে তার কলেজ ছাত্রীকে আমার ছেলে কর্নধর বৈষ্ণবের জন্য চাইলে মেয়ের বাবা বলেন আমার মেয়েকে তোমার ছেলের সঙ্গে বিবাহ দিবো না। এব্যাপারে মেয়ের বাবা মা বলেন কর্নধর বৈষ্ণবের বাবা আমাদের বাড়িতে আসেনি সে মিত্থা কথা বলেছে বরং আমাদের পক্ষো থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং আমার মেয়ে তাদের বাড়ী গেলে তাঁকে মেরে গুম করে ফেলবে।ছেলের ছোট বোন বলেন আমার ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো এখন নাই আমরা বলেছি মেয়ে অনেক খারাব আমদের বাড়ীর কাছেই তাই এখন আর সম্পর্ক রাখবেনা।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536