শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন নামে টাঙ্গাইল জেলা কমিটির অনুমোদন

শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন নামে টাঙ্গাইল জেলা কমিটির অনুমোদন

আ: হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন টাঙ্গাইল জেলা কমিটি নামে একটি সংগঠনের অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রিয় সংসদ। মোঃ শামীম আল মামুন সভাপতি ও মোঃ তাসিন আহমেদ ইমরান কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেয় শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় সংসদ । উক্ত কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন রাহাত হোসেন সহ-সভাপতি, আ: হামিদ সহ- সভাপতি আঃ আলিম সহ-সভাপতি, মাহবুব হাসান হিমেল-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জিসান আহমেদ সাকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, লিফাত আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, খালিদ সাইফুল্লাহ সাদি,দপ্তর সম্পাদক, মোঃ সিয়াম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক, মোঃ জুয়েল রানা, ক্রীড়া সম্পাদক, সানিউল আহমেদ অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মাহিম হাসান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, তানভীর আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, সাব্বির আহমেদ শিজেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ নাজমুল, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, সামিয়াল মাহতাব রোহিত, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, ফয়সাল ভুইঁয়া রাতুল, সদস্য, ইমরান খান,সদস্য, মোঃ সাকিল আহমেদ,সদস্য মোঃ জুয়েল আরাফ, সদস্য । শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাকের আহমেদ অপু ও সাধারণ সম্পাদক এম রাহাত সানি শেখ রাসেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন টাঙ্গাইল জেলা কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536