স্বপন বিশ্বাস ও শেখ সাগর রানার স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্বপন বিশ্বাস ও শেখ সাগর রানার স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন রিপোর্টঃ ঈশ্বরদী সাহিত্য কোলাহলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদ, ঈশ্বরদী শাখার ক্রীড়া সমন্বয়ক প্রয়াত রফিকুল ইসলাম (স্বপন বিশ্বাস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ সাগর রহমান রানাসহ পাবনার চাটমোহর হান্ডিয়াল চলনবিলে মর্মান্তিক নৌকাডুবিতে নিহত পাঁচ জনের মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ঈশ্বরদী সাহিত্য কোলাহল ও বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদ এর উদ্যোগে আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী আরামবাগ হোটেল সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয় এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদ, ঈশ্বরদী শাখার সমন্বয়ক ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড.কুয়াশা মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রয়াত স্বপন বিশ্বাস ও শেখ সাগর রানাসহ সকলের কর্মের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জাহিদুর আলম সনু, সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার মাহাবুবুল হক দুদু, জেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক আ ফ ম রাজিবুল আলম ইভান, দৈনিক আলাপের সম্পাদক আশিকুর রহমান লুলু, সংগঠক আতাউর রহমান বাবলু, সমাজসেবক আব্দুল লতিফ মিন্টু, কলাম লেখক নূরুল ইসলাম বাবলু প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগি অধ্যাপক মীর হুমায়ুন কবীর বিপ্লব, শাহীন উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, সাব্বির আহমেদ, শিশির মাহমুদ, হাসান ইসলাম, নূরে আলম সিদ্দিকী নাহিদ প্রমূখ। পরিচালনা করেন ঈশ্বরদী সাহিত্য কোলাহলের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রেজাউল করিম ফেরদৌস। সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও দোয়া পড়ান ঈশ্বরদী সাহিত্য কোলাহলের সভাপতি রইচ উদ্দিন বাবলু।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536