বড়াইগ্রাম ধর্ষককে গণধোলাই,ধর্ষণ হতে বাঁচতে কৌশল ।।

বড়াইগ্রাম ধর্ষককে গণধোলাই,ধর্ষণ হতে বাঁচতে কৌশল ।।

স্টাফ রিপোর্টারঃ- নাটোরের বড়াইগ্রামে আল-আমিন হক বাবু (২৫) পিতা জহুরুল হক গত বুধবার উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার প্রফেসর পাড়ায় আজিজের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটায়।

আজিজের বাড়িতে দুপুরের দিকে কেউ ছিল না এই সুযোগে বাবু ঘরে প্রবেশ করে এবং জোর করে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে এই সময় তার মা বাড়িতে আসে এবং ধর্ষন অবস্থায় বাবুকে ধরে বাড়ি বাজার এর নিকটবর্তী হওয়াই আজিজ এর বউ তার দেবর দের খবর দে তার দেবরেরা বাজারে ব্যবসা করে শোনা মাত্র বাড়িতে চলে আসে ঘটনা শুনে উত্তেজিত হয়ে সবাই কিছু উত্তম-মাধ্যম দেয়।

আজিজ বাড়িত ছিলনা তার ভাইয়েরা আজিজ জন‍্য অপেক্ষা করে এবং তাহাকে বাড়িতে এক ঘরে আটকে রাখে।

বাবু মোবাইল দিয়ে বাড়িত খবর দেয় কিছু সময়ের মধ‍্য নজরুলের সাথে কালিকাপুরের বোরহান,শরিফুননেছা,নজু কমিশনার সহ বিশ পচিশ জন এসে ছেলেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রকাশ থাকে যে এই মেয়েকে ইতিপূর্বে নজরুল ও বুরহান কমিশনার লোভ দেখিয়ে ১৪বছর বয়সে বাল্যবিবাহ দেয়।

সেই বয়সে এই মেয়ে স্বামীর সংসার সম্পর্কে অনভিজ্ঞ এবং সেই সংসার টিকে না পরবর্তীতে তালাক প্রাপ্ত হয় তার কিছুদিন পর তার বাপ-মা অন্য জায়গায় বিবাহ দেয়।

এই মেয়ের ফুফার বাড়ি কালিকাপুর সেখানে যাতায়াতে বাবুর সাথে পরিচিত হয় সুকৌশলে বাবু বউ সন্তান থাকা অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে এই বিয়ে আজিজ এবং তার বউ মেনে নেয় না পরে নজরুল, শিরিন, বুরহান কমিশন তালাক করান।

আজিজের একটি মাত্র মেয়ে টাকা পয়সার লোভে সুকৌশলে এই বাবু আবার বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গত এক মাস আগে ভাগিয়ে নিয়ে যান যাবার সময় মেয়ে বাড়ি হতে ছেলের কথা মত মেয়ে গলার নেকলেস হাতের চুরি কানের দুল নিয়ে যান, এই বাবু মেয়েকে নিয়ে এই গহনা গুলো বিক্রি করে বিভিন্ন বাড়িতে অবস্থান করে এবং স্বামী-স্ত্রীর মতো জীবন যাপন করে যখন টাকা শেষ হয়ে যায় পুনরায় কালিকাপুরে ফিরে আসে, আসার পর আবার তার ফুফা সিরাজের বাড়িতে রেখে পালায়। সিরাজ মেয়ের বাপ মাকে খবর দেয় মেয়েকে নিয়ে আসতে বাপ-মা বলে আমরা ওই মেয়েকে বাড়িতে তুলবো না সিরাজ পৌরসভার শরণাপন্ন হন।

তখন এই নজরুল বোরহান শিরিন কমিশনার বিচারের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে রেখে যান পরবর্তীতে পৌরসভায় এই শিরিন কমিশনার, বোরহান, নজরুল,মুক্তিযোদ্ধা খায়ের মাধ্যমে সালিশ হয় সালিশে মেয়ে দাবি করে এতদিন আমাকে নিয়ে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করেছে আমি তার ভাত খাবে এবং তার সাথে বিবাহ করব প্রকাশ থাকে যে, ছেলের আগে বউ এবং ছেলে আছে তাই সুকৌশলে রায় দেয় মেয়েকে মেয়ের বাড়িতে ছেলেকে ছেলে বাড়িতে যেতে এর পরে কেউ কারো সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারবে না আর যোগাযোগ করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে পরবর্তীতে মেয়েকে তার বাবা বাড়িতে নিয়ে আসে।

কিন্তু গত একমাস তার সাথে থাকার সময় বাবু কিছু অসামাজিক ছবি তুলে রাখে এবং মেয়ের বাবা-মাকে বলে টাকা না দিলে এই ছবিগুলো ফেসবুকে দিয়ে দেবো এই বলে একবার সাত হাজার টাকা নেয় পরবর্তীতে আবার টাকার জন্য বাড়িতে আসে এবং উপরোক্ত ঘটনা ঘটায়, আজিজের বাড়ি হতে ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার সময় কমিশনার শিরিন উপরোক্ত ছবিগুলো ডিলিট করে দেয় এবং বাড়িতে যাবার পরে ধর্ষন হতে বাঁচতে নিজেরা কৌশল করে থানায় মামলা করে এই মামলায় আজিজ বউ এবং মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে এলাকাবাসী অনেকেই বলছেন এর সুষ্ঠু তদন্ত হলে উপযুক্ত প্রমাণ বের হয়ে আসবে এবং ধর্ষণকারীর বিচার হওয়া উচিৎ।

বড়াইগ্রাম থানার সাব-ইন্সপেক্টর সামসুল ইসলাম বলেন, ছেলের বাবার অভিযোগের
ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তদন্ত করে দেখবো।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536