পাবনা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম’র মাধ্যমে ফেরৎ পেলেন চাকুরীবাবদ দেয়াকৃত টাকা

পাবনা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম’র মাধ্যমে ফেরৎ পেলেন চাকুরীবাবদ দেয়াকৃত টাকা

তুহিন হোসেন,নিজস্ব প্রতিনিধি : পাবনা জেলা  পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম কে  ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন উজ্জল শেখ, পিতা: আব্দুল মতিন শেখ, গ্রাম- হাজারীপাড়া,মুলাডুলি, ঈশ্বরদী, পাবনা। তিনি বলেন পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম মহোদয় জেলা পুলিশ  সহ – তার চাকরী বাবদ দেয়াকৃত টাকা ফেরৎ নিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন । উজ্জল শেখ বলেন  চার বছর পূর্বে বেকারত্বের গ্লানি নিয়ে যখন একটি চাকরির জন্য হন্য হয়ে ঘুরছি তখন এক প্রতারক চক্রের খপ্পরে পরে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করি একটি চাকরির জন্য পরবর্তীতে সে বুঝতে প্রতারিত হয়েছে। চাকুরী দেয়ার কথা বলে যে ব্যক্তি টাকা নেন।তিনি ঈশ্বরদীর স্থানীয় ব্যক্তি, প্রতারককারীর  নাম প্রকাশ করেন না উজ্জল ও তার পরিবার তাদের টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য।এদিকে টাকার শোকে আমার অসহায় বাবা মা মানসিক ভাবে ভেঙে পরেছিল। স্থানীয় নেতা কর্মীর মাধ্যমে অনেক চেষ্টা করেও টাকা ফেরৎ পেতে ব্যর্থ হই। উপরন্তু তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায়। তাদের হুমকি ধমকিতে আমি ও আমার পরিবার ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পরি। কোন উপান্তর না পেয়ে যখন হতাশ হয়ে পরি  তখন সে উক্ত ঘটনাটি আমি পাবনা জেলার পুলিশ সুপার জনাব শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম মহোদয় কে জানায় এবং আমি পুলিশ সুপার বরাবর একটি দরখাস্ত প্রদান করি। পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম পরদিনই উজ্জল কে  ডেকে  বিস্তারিত জেনে প্রতারক চক্রের হাত থেকে টাকা উদ্ধারের আশ্বাস দেন। তাঁর আশ্বাস পেয়ে আমার হতাশ হৃদয় আবার আশায় বুক বাধে। কারন এই তিন লক্ষ টাকা আমার পরিবারের নিকট কত মূল্যবান তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। পুলিশ সুপার মহোদয় উক্ত টাকা উদ্ধারের দায়িত্ব দেন পাবনা ডিবি পুলিশের ওসি জনাব মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন স্যারকে। মাত্র এক মাসের মধ্যে সম্পুর্ন তিন লক্ষ টাকা এসপি স্যারের সরাসরি তত্বাবধানে জেলা পুলিশ উদ্ধার করে দেয়। এই টাকা পেয়ে আমার বাবা মা আবেগাপ্লুত হয়ে পরে। উজ্জল শেখ সহ তার পরিবার পাবনা জেলা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবাবরের জন্য দোয়া করেন ।উজ্জল শেখের পরিবার বলেন  এমন মানবিক পুলিশ সুপার যদি দেশের সকল জেলায় থাকত তাহলে দেশটি সত্যিই পাল্টে যেত। তিনি সম্প্রতি ঈশ্বরদী থানার অন্তর্গত হাজারীপাড়া গ্রামের বেহাল দশা কাঁচা রাস্তাটি এলজিইডির মাধ্যমে পাকা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন । এজন্য  এলাকাবাসী কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন  । এছাড়াও তিনি পাবনার বিভিন্ন জায়গার অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাড়ান সবসময়। যে কোন বিপদ আপদে তাঁর কাছে গেলে সমস্যার যথাসম্ভব সমাধানের চেষ্টা করেন। তাই গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা  এবং দোয়া করেন তিনি পুলিশ বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে এভাবে সমগ্র দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাড়াবেন।

সংবাদ শেয়ার করুন

মোঃসামছু উদ্দিন লিটন, বিশেষ প্রতিনিধি নোয়াখালী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নে থেকে অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৭) দুই মাস পর ঢাকার সাভার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে চারজনকে আসামি করে দুটি মামলা করেন। মামলায় আসামি সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড ও ফয়সালের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়েছে আদালত।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অপহৃত ছাত্রীকে সাভারের পূরগাও এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে অপহৃত ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। অভিযানকালে বেগমগঞ্জ থানার এসআই মোস্তাক আহমেদ, ফিরোজ আলম, রুবেল মিয়া ও এএসআই নূর নবীর নেতৃত্বে শনিবার সন্ধ্যায় সাভারের পূরগাও এলাকার জৈনিক রুবির বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় ওই বাসায় অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে শনিবার বিকালে নোয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মোসলেহ উদ্দিন মিজান ১৬৪ ধারায় আসামি ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপর আসামি ইমনকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় তিন দিন ও পর্ণোগ্রাফি মামলায় দুই দিনসহ মোট পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন জানান, পৃথক দুটি মামলায় সাইফুল ইসলাম ইমনকে পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করলে আদালত দুটি মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ রাতে মামলার আসামি ফয়সাল ও জোবায়ের ঘরে ডুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে। ঘরে থেকে যাওয়ার সময় তারা আলমেরি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও দুইটি আংটি নিয়ে যায়। গত ২০২০ সালের ৫মার্চ রাত আড়াইটার দিকে ইমন ও রাসেল ঘরে ডুকে নির্যাতিতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিন মাস পর রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকার মিরপুর-২, ৭নং রোডের ৩নং গলির জান্নাত নামে এক নারীর কাছ থেকে মেয়েকে নিয়ে আসেন তার মা। ওই তিন মাসে অপহৃতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে রাসেল। এরপর বিভিন্ন সময় ইমন বাড়িতে এসে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবশেষ গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে আবারও অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ফয়সাল ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে।

নোয়াখালী থেকে অপহরণের দুই মাস পর কিশোরী উদ্ধার

themesbazartvsite-01713478536