“আগৈলঝাড়ায় সড়কের সরকারী গাছ কেটেফেলেছে পলাশ ও তপন এর নেতৃত্বে”

“আগৈলঝাড়ায় সড়কের সরকারী গাছ কেটেফেলেছে পলাশ ও তপন এর নেতৃত্বে”

বি এম মনির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ-

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বন কর্মকর্তার সহযোগীতায় রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতির ছেলে ও ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক সামাজিক বনায়নের সড়কের বিভিন্ন প্রজাতীর ১৫টি গাছ প্রায় দুই লাখ টাকার গাছ কেঁটেফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামীলীগ নেতা ও উপজেলা বন কর্মকর্তার পরোস্পর বিরোধী বাক্তব্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাকাল-বাটরা-বাহাদুরপুর সড়কের বাটরা বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বের সড়ক থেকে সোমবার ও মঙ্গলবার বিভিন্ন প্রজাতির ১৫টি গাছ কেটেছে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার ও রাজিহার ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি হরে কৃষ্ণ কাচারীর ছেলে পলাশ-এর নেতৃত্বে।
সরকারী গাছ কাটার পূর্বে গাছের তালিকা তৈরী করে উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের লিখিত অনুমতি নিয়ে টেন্ডার আহবান করার নিয়ম থাকলেও তা করেনি উপজেলা বনবিভাগ। প্রায় দুই লক্ষাধীক মূল্যের গাছ টাকা টেন্ডার ছাড়া অবৈধভাবে উপজেলা বন কর্মকর্তা মনিন্দ্রনাথ হালদার ওই গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকারসহ অনেকে।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার বলেন, সড়ক ভেঙ্গে যাওয়া রোধে এই গাছ উপজেলা বনবিভাগের অনুমতি নিয়ে আমরা কেটেছি। রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াছ তালুকদার গাছ কাটার বিষয়টি জানে।
এব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা মনিন্দ্র নাথ হালদার বলেন,বাটরা বাজারের দক্ষিণ পাশে গাছের কারনে সড়ক ভেঙ্গে যায় বলে ইউপি
মোঃ চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার আমাকে জানান। আমি ওই স্থানে যাওয়ার পূর্বেই স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার ও রাজিহার ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি হরে কৃষ্ণ কাচারীর ছেলে পলাশ তারা শ্রমিক নিয়ে ওই গাছ কেটেফেলেছে। আমি গিয়ে ওই ১৫টি গাছে নম্বর দিয়ে লট তৈরি করে রেখেছি। আমি বিষটি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক ভাবে জানিয়েছি।
এব্যাপারে রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার বলেন, আমি উপজেলা বন কর্মকর্তাকে বলেছি সরেজমীনে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া জন্য। আমি কাউকে গাছ কাঁটতে বলি নাই।

সংবাদ শেয়ার করুন

themesbazartvsite-01713478536