নাটোরের লালপুরের ডাঙ্গপাড়াচিলানের রাস্তার বেহাল অবস্থা,

নাটোরের লালপুরের ডাঙ্গপাড়াচিলানের রাস্তার বেহাল অবস্থা,

মোঃ রাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টারঃ-

লালপুরে কদিমচিলান ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া চিলান গ্রামের কদিম চিলান নতুন বাজার হতে ঘাটছিলান স্কুল পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। এই রাস্তার উপর নির্ভর করে আশেপাশের চারটি গ্রামের ৩/৪ হাজার মানুষ। এই গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন চলাচল এবং মাঠ থেকে ফসল উঠানোর একমাত্র রাস্তা এটি। কিন্তু প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ফসল উঠানোতো দূরের কথা স্বাভাবিক চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে। যার কারণে মানুষের দৈনন্দিন চলাচল বিঘ্নিত হয়, সেই সাথে কৃষকের কষ্টে অর্জিত ফসল ঘরে তোলা এবং বাজারজাত করন সম্ভব না হওয়ার কারণে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয় খেটে খাওয়া মানুষগুলো। এছাড়াও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতে পড়তে হয় ব্যাপক বিড়ম্বনায় ।

সরেজমিনে গিয়ে জানতে চাইলে এলাকাবাসী বলেন- এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার লোক যাতায়াত করে, কিন্তু এই রাস্তার কোন বাবা-মা নেই । অনেক চেয়ারম্যান, মেম্বর এবং এমপি আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যায়। আমরা সেই আশায় বুক বেঁধে থাকি, কিন্তু আশা আশায় রয়ে যায় আমাদের এই দুর্দশার কোন অবসান হয় না। এলাকার খেটে খাওয়া অসহায় মানুষগুলো আক্ষেপ করে বলেন- আমরা টিভিতে দেখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি রাস্তাঘাট এবং বিদ্যুতায়নের শতভাগ বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে এই এলাকার জনপ্রতিনিধি গনের কোন নজর আমাদের এই রাস্তার উপরে পড়েনি, কেন তা আমাদের জানা নেই। এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবদার করলে সান্তনার বুলিই পাওয়া যায়, রাস্তার সংস্কার নয়।
এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন- আপনি বিশ্ব মানবতার “মা”, আপনার কাছে চাইলে কেউ খালি হাতে এখন পর্যন্ত ফেরে নাই, তাই আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের এই রাস্তাটি পাকা করন করলে আমাদের সন্তানরা সুন্দরভাবে স্কুল কলেজে যেতে পারবে, আমাদের কষ্টে অর্জিত ফসল আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ঘরে তুলে তা বাজারজাত করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারব, এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে বলে মনে করি। তাই আপনার একটু সুদৃষ্টি পড়লে আমাদের এই অসহনীয় দুর অবস্থার অবসান হতে পারে।

মোঃ রাজিবুল ইসলাম বাবু স্টাফ রিপোর্টার।
নাটোর।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536