আন্দোলন ও ভোগান্তি- মহসিন মুন্সী।Darpon TV(সত্যের প্রতিচ্ছবি)

আন্দোলন ও ভোগান্তি- মহসিন মুন্সী।Darpon TV(সত্যের প্রতিচ্ছবি)

আন্দোলন ও ভোগান্তি

মহসিন মুন্সী, বিশেষ প্রতিনিধি, ফরিদপুর। ১৬ আগষ্ট, ২০২০।
একটি কুকুরকে যদি আপনি মারেন বা মারতে থাকেন তাহলে দেখবেন ওরা দলবেঁধে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেবে ওদের জাতভাই কে বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন‍্য। এতে মানুষের ভাল হল না খারাপ হল তা দেখার বা বোঝার ক্ষমতা ওদের নেই।
চট্টগ্রামে একটি উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র রা অসুস্থ রাজনীতি করতে যেয়ে একপক্ষ প্রতিপক্ষের আক্রমনে আহত হন। লক্ষ‍্যনীয় যে উভয়গ্রুপই একই রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী। ভুক্তভোগীরা যখন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গেটে তালা লটকিয়ে দিয়ে বিচার দাবি করলেন তখন জনমনে কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে
১- তোমাদেরকে রাজনীতি করতে কে বলেছে। ভাল কথা রাজনীতি করবা, তোমাদের দলের মেনিফেস্টোতে কি ( যেহেতু দুই গ্রুপ একই দলের সমর্থক ) নিজেদের মধ‍্যে মারামারির কথা বলা আছে নাকি।
২- যেভাবেই হোক মারামারি করে আহত হয়েছ, দুঃখজনক। কিন্তু মাত্র দুইজন আহতের জন‍্য পুরো একটা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন করতে হবে, এটা কোন মানবতা। ( আশাকরি একটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বন্ধ থাকার দুর্ভোগ কাউকে বিবরন দিয়ে বোঝাতে হবে না )
৩- স্নাতক পাশ করে হওয়ার কথা জনগনের সেবক, তারা যদি পাশ করার আগেই এইভাবে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলতে থাকে তাহলে পাশ করার পরে এদের কাছ থেকে জাতি কি আশা করতে পারে।
৪- এই প্রশ্ন টা সরকার বাহাদুরের নিকট। যেই হোক কারো কি অধিকার বা ক্ষমতা আছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল বন্ধ করে আন্দোলন করার? একটি মেডিক্যাল কলেজ এ হাজারো রোগী থাকে যারা সবাই গুরুতর অসুস্থ। তাছাড়াও প্রতিদিনই শত শত গুরুতর অসুস্থ রোগী সেখানে যান চিকিৎসা পাওয়ার আশায়। যারা গেটে তালা মেরে হাজার হাজার রোগীর ভোগান্তির কারন হল তাদের বিরুদ্ধে সরকার কি ব‍্যবস্থা নিলেন।
কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকেই সমর্থন করার কোন সুযোগ এদেশে নেই। ছাত্র রা রাজনীতি অবশ্যই করবে তবে তা হতে হবে সুস্থ রাজনীতি। তারা যদি কোন ঝামেলা তৈরী করে বা জড়িয়েও যায় তাহলে এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া কি ঠিক হবে যাতে সাধারণ জনতা ব‍্যপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আর বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কিন্তু এক নয়।
প্রথমে বলা গল্পের সঙ্গে যদি কেউ পরের ঘটনাবলির মিল খুঁজতে যান সেটা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব ব‍্যাক্তিগত বিষয়।
সরকার বাহাদুরের নিকট প্রস্তাব কোন পক্ষই যেন নিজেদের স্বার্থে এমন কোন কর্মসূচি না নিতে পারে যাতে জনগনের ব‍্যাপক ক্ষতি হওয়ার সুযোগ থাকে।

সংবাদ শেয়ার করুন

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সাজানো মিথ্যা মামলায় ফেলে এক নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে-নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা কয়াগোলাহাট ঘোনপাড়া এলাকায়৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৭৯ বছর পূর্বে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে আসছি৷ সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তীতে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ এসে রাস্তা খুলে দিলেও পুলিশ চলে যাবার পরে রাস্তাটি পুনরায় বন্ধ করে দেয় প্রতিপক্ষ৷ পরবর্তী স্থানীয়দের সহোযোগিতায় বাড়ির বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলেও গত ২৬র্মাচ এ বিকল্প চলাচলের রাস্তাটিও বন্ধ করে দেয়া হয় । এতে বাধা দিলে সিরাজুল ইসলাম ও তার ভাই আজিজুল হক ও শফিকুল ইসলামের পরিবার এ-র উপর আতর্কিত হামলা করে বাড়ী ঘরের বেড়া, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে ধারালো অস্ত্রসহ(হাচুয়া,বটি,দা) লোহার মোটা পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে প্রতিপক্ষ সিরাজুলরা। আহতদের অবস্থা গুরুতর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেয়া হয় (ওসিসি বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিরাজুল ও শফিকুলদের আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী পরিবারটি৷ এদিকে, মামলাটি থানায় দেয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারটির উপর বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকি বিদ্যমান রেখেছে প্রতিপক্ষ৷ ভুক্তভোগী পরিবারের আতিয়ার রহমান খোশো বলেন, আমি রংপুর বিভাগের রংপুর বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ক সহকারী শিক্ষক । ঘটনার দিন আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, এই মর্মে প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল মহোদয় প্রত্যায়ন পত্র প্রদান করেন। শফিকুলেরা অপরাধ সংঘটিত করে আগেই মামলা দায়ের করেন৷ আমি উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে আসামির শ্রেনীভুক্ত করা হয়েছে৷ এমনকি, সৈয়দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে আমার কল রেকর্ড আছে এবং ঐ কল রেকর্ড ট্রাকিং করে দেখা গেছে আমি ঐদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৬ শেষ মার্চের জাতীয় অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে যুক্ত ছিলাম, শুধু মাত্র আমাকে হয়রানি করার জন্য এবং আমার সন্মান হানি করার জন্য হয়রানি মূলক মিথ্যা সাজানো মামলা করা হয়েছে৷ এ অভিযোগ প্রসঙ্গে শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আতিয়ার রহমান খোশো তাদের সম্পর্কে আত্মীয় আমাদের সাথে জগড়া লাগলে তিনি তাদের পরামর্শ ও শেল্টার দেন। তাই ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। তারাও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি৷ তবে, মামলার সূষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন সহকারী শিক্ষক আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীর।

নীলফামারীতে মিথ্যা মামলায় ফেলে নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ

themesbazartvsite-01713478536